
জয়সওয়াল বলেন, “প্রতিবন্ধক এই পরিস্থিতিতে আমরা ভারতীয়দের এই মুহূর্তে ইরান না যাওয়ার উপদেশ দিয়েছি এবং ইরানে বসবাসকারী ভারতীয়দের যেভাবে হোক ওই দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নিবিড় নজর রেখেছি এবং আমাদের নাগরিকদের কথা বলতে গেলে, তাঁদের নিরাপদে রাখার জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন তা আমরা করতে বদ্ধপরিকর।” একইভাবে তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তরফেও ভারতীয় নাগরিক তথা ভারতীয় ছাত্র, ব্যবসায়ী, তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের বাণিজ্যিক বিমান-সহ পর্যাপ্ত যে কোনও পরিবহনে করে ইরান ছাড়তে বলা হয়েছে।
সরকার-বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল ইরান। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত চমকি-ধমকি। পাল্টা হামলার কথা বলেছে ইরানও। এই আবহে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে ফোন করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। গত পরশু সন্ধেতেই ফোন করেন তিনি। ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে দুই বিদেশমন্ত্রীর আলোচনা হয়। বিষয়টি এক্স হ্যান্ডেলে জানান জয়শঙ্কর। তিনি লেখেন, “ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির ফোন এসেছিল। আমরা ইরান এবং তার আশেপাশের ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি।”
ইরানে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভারতীয় নাগরিকদের উদ্দেশে নয়াদিল্লি থেকে উপদেশাবলী জারির পরই দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়। ভারত সরকারের তরফে জারি করা এর আগে বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, “ইরানের চলমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতীয় নাগরিকদের আবারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে তাঁরা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরান ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন।” নয় নয় করে তিন সপ্তাহ ধরে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ চলছে ইরানে। বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে বলে খবর। আটক করা হয়েছে বহু বিক্ষোভকারীকে। জায়গায় জায়গায় পুলিশ ও নিরাপত্তবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধেছে। স্লোগান উঠেছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধেও। এমন পরিস্থিতিতে ইরানে হস্তক্ষেপ করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাল্টা আমেরিকার সেনার উপর হামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানও।
(Feed Source: abplive.com)
