
একটি পডকাস্টে মুখ খুলেছেন মেলিন্ডা। ২৭ বছর পর দাম্পত্য়ে কেন ইতি টানলেন, তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদে কী ভূমিকা এপস্টিনের, তা নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। মেলিন্ডার বক্তব্য, “যখনই এসব তথ্য সামনে আসে, আমার জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে যায়। কারণ পুরনো স্মৃতি ফিরে আসে, আমার দাম্পত্যজীবনের অত্যন্ত যন্ত্রণাময় সময়ের স্মৃতি ফিরে আসে। আমি নয়, ওদের (বিল ও অন্য অভিযুক্তদের) উত্তর দেওয়া উচিত। এসবে খুব কষ্ট হয় আমার। অবিশ্বাস্য রকমের কষ্ট গ্রাস করে। আমি বিয়ে ছেড়ে বেরিয়ে এসেছি। আমি চাইছিলামই বেরিয়ে আসতে। জানতাম বেরিয়ে আসতে হবে। খুব দুঃখজনক। এটাই সত্য।” (Jeffrey Epstein)
মেলিন্ডা জানিয়েছেন, তিনি সব পিছনে ফেলে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এপস্টিনের শিকাররা ন্যায় বিচার পাবেন, এটাই আশা ছিল তাঁর।
নাবালিকাদের দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা থেকে যৌন অপরাধ, ধর্ষণ, মানবপাচারের মতো গুরুতর মামলায় নাম ওঠে এপস্টিনের। তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয় এবং দোষী তাকে দোষী সাব্যস্তও করে আদালত। এর পর সামনে আসে তার রেখে যাওয়া গোপন নথি, যাতে পৃথিবীর তাবড় প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে, যাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল এপস্টিনের, ওই অপরাধে কোনও না কোনও ভাবে তাদেরও সংযোগ উঠে আসে।
এপস্টিনের ওই সব নথিপত্রই ‘এপস্টিন ফাইলস’ নামে পরিচিত। সম্প্রতি আরও ৩৫ লক্ষ পাতার নথি সামনে এসেছে। ব্রিটেনের রাজ পরিবারের সদস্য থেকে আমেরিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, বিজ্ঞানী থেকে ধনকুবের, বাঘা বাঘা নাম রয়েছে ওই ফাইলগুলিতে। নাম রয়েছে বিলেরও। বেশ কিছু ইমেল পাওয়া গিয়েছে, যাতে এপস্টিন লিখে গিয়েছে, ‘বিলকে মাদক জোগান দিতে হতো’, ‘রুশ মেয়েদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হতেন বিল’, ‘বিবাহিত মহিলাদের সঙ্গে অবৈধ অভিসারে যেতেন’, ‘যৌন রোগ বাসা বাঁধে শরীরে’, ‘মেলিন্ডাকে গোপনে ওষুধ খাওয়াতে উদ্যোগী হন’। বিলের প্রতিনিধি সব অভিযোগ অস্বীকার করলেও, বিতর্কের আগুনে ঘি ঢাললেন খোদ মেলিন্ডা।
(Feed Source: abplive.com)
