
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভ্যালেন্টাইন ডে-র দিনে ভয়ংকর কাণ্ড। নয়ডায় একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হল যুগলের গুলিবিদ্ধ দেহ। গাড়ির চালকের আসনে পড়ে ছিল গুলিবিদ্ধ তরুণ ও পাশেই পড়ে তরুণীর মৃতদেহ। লক করা গাড়ি থেকে একটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে একে আত্মহত্যা মনে করা হলেও যুবকের পরিবারের দাবি, তরুণ ও তরুণীকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডার সেক্টর ৩৯ থানা এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে পুলিসে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি লক করা গাড়ির ভেতরে অচেতন অবস্থায় এক নারী ও পুরুষকে দেখতে পায়। পরে পুলিস গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য এলাকাটি ঘিরে ফেলে। নিহতরা হল ২৬ বছরের রেখা, নয়ডার সেক্টর ৫৮-এর বাসিন্দা এবং ৩২ বছর বয়সী সুমিত দিল্লির ত্রিলোকপুরীর বাসিন্দা।
পুলিস জানিয়েছে, ওই দুজন আগের দিন থেকেই নিজ নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়েছিল। জানা গেছে, তাদের মধ্যে প্রায় ১৫ বছরের দীর্ঘ সম্পর্ক ছিল এবং বিষয়টি তাদের দুই পরিবারই জানত। মেয়েটি ছেলেটির পরিবারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেত। পুলিসের বক্তব্য, গাড়িটি ভেতর থেকে লক করা ছিল। সুমিতের হাতে একটি পিস্তল পাওয়া গেছে। ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে তদন্ত করেছে।
সূত্রে খবর, সুমিত হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ রেখে গিয়েছে। সেই মেসেজে রেখার সাথে তার ১৫ বছরের সম্পর্ক এবং আত্মহত্যার কারণ বিস্তারিত লিখেছে। মেসেজে লেখা হয়েছে, আমি, সুমিত, আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি। এর জন্য রেখাই দায়ী কারণ সে ১৫ বছর ধরে আমার সাথে সম্পর্কে ছিল এবং আমাকে বিয়ের কথা দিয়েছিল, কিন্তু এখন সে অন্য একজনকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। রেখা আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলেই আমি আত্মহত্যা করছি।
সুমিতের পরিবারে দাবি, এটি কোনও আত্মহত্যার ঘটনা নয়, এটি হত্যাকাণ্ড। মেয়ের পরিবার তাদের জাত তুলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করত। দেশের বাইরে থেকে ফোন করে হুমকি দিত। পুলিসি ব্যবস্ নেওয়ার ভয় দেখানো হতো।
সুমিতের এক আত্মীয় জানান, রেখাদের গ্রাম সালারপুর থেকে মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে গাড়িটি পাওয়া গেছে। জাতিগত বিদ্বেষের কারণে এই যুগলকে টার্গেট করা হয়ে থাকতে পারে। সুমিতের পরিবারের পক্ষ থেকে এই সম্পর্কের ওপর কোনো চাপ ছিল না। সুমিতের এক ভাইয়ের অভিযোগ, আমাদের সন্দেহ, ওদের দুজনকে খুন করা হয়েছে। সুমিত ও রেখা ১০ বছরের বেশি সময় ধরে একসাথে ছিলেন এবং দুই পরিবারই বিষয়টি জানত। রেখা আমাদের পারিবারিক অনুষ্ঠানেও আসত, আমাদের দিক থেকে কোনো বাধা ছিল না।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভ্যালেন্টাইন ডে-র দিনে ভয়ংকর কাণ্ড। নয়ডায় একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হল যুগলের গুলিবিদ্ধ দেহ। গাড়ির চালকের আসনে পড়ে ছিল গুলিবিদ্ধ তরুণ ও পাশেই পড়ে তরুণীর মৃতদেহ। লক করা গাড়ি থেকে একটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে একে আত্মহত্যা মনে করা হলেও যুবকের পরিবারের দাবি, তরুণ ও তরুণীকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডার সেক্টর ৩৯ থানা এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে পুলিসে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি লক করা গাড়ির ভেতরে অচেতন অবস্থায় এক নারী ও পুরুষকে দেখতে পায়। পরে পুলিস গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য এলাকাটি ঘিরে ফেলে। নিহতরা হল ২৬ বছরের রেখা, নয়ডার সেক্টর ৫৮-এর বাসিন্দা এবং ৩২ বছর বয়সী সুমিত দিল্লির ত্রিলোকপুরীর বাসিন্দা।
পুলিস জানিয়েছে, ওই দুজন আগের দিন থেকেই নিজ নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়েছিল। জানা গেছে, তাদের মধ্যে প্রায় ১৫ বছরের দীর্ঘ সম্পর্ক ছিল এবং বিষয়টি তাদের দুই পরিবারই জানত। মেয়েটি ছেলেটির পরিবারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেত। পুলিসের বক্তব্য, গাড়িটি ভেতর থেকে লক করা ছিল। সুমিতের হাতে একটি পিস্তল পাওয়া গেছে। ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে তদন্ত করেছে।
সূত্রে খবর, সুমিত হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ রেখে গিয়েছে। সেই মেসেজে রেখার সাথে তার ১৫ বছরের সম্পর্ক এবং আত্মহত্যার কারণ বিস্তারিত লিখেছে। মেসেজে লেখা হয়েছে, আমি, সুমিত, আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি। এর জন্য রেখাই দায়ী কারণ সে ১৫ বছর ধরে আমার সাথে সম্পর্কে ছিল এবং আমাকে বিয়ের কথা দিয়েছিল, কিন্তু এখন সে অন্য একজনকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। রেখা আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলেই আমি আত্মহত্যা করছি।
সুমিতের পরিবারে দাবি, এটি কোনও আত্মহত্যার ঘটনা নয়, এটি হত্যাকাণ্ড। মেয়ের পরিবার তাদের জাত তুলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করত। দেশের বাইরে থেকে ফোন করে হুমকি দিত। পুলিসি ব্যবস্ নেওয়ার ভয় দেখানো হতো।
সুমিতের এক আত্মীয় জানান, রেখাদের গ্রাম সালারপুর থেকে মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে গাড়িটি পাওয়া গেছে। জাতিগত বিদ্বেষের কারণে এই যুগলকে টার্গেট করা হয়ে থাকতে পারে। সুমিতের পরিবারের পক্ষ থেকে এই সম্পর্কের ওপর কোনো চাপ ছিল না। সুমিতের এক ভাইয়ের অভিযোগ, আমাদের সন্দেহ, ওদের দুজনকে খুন করা হয়েছে। সুমিত ও রেখা ১০ বছরের বেশি সময় ধরে একসাথে ছিলেন এবং দুই পরিবারই বিষয়টি জানত। রেখা আমাদের পারিবারিক অনুষ্ঠানেও আসত, আমাদের দিক থেকে কোনো বাধা ছিল না।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভ্যালেন্টাইন ডে-র দিনে ভয়ংকর কাণ্ড। নয়ডায় একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হল যুগলের গুলিবিদ্ধ দেহ। গাড়ির চালকের আসনে পড়ে ছিল গুলিবিদ্ধ তরুণ ও পাশেই পড়ে তরুণীর মৃতদেহ। লক করা গাড়ি থেকে একটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে একে আত্মহত্যা মনে করা হলেও যুবকের পরিবারের দাবি, তরুণ ও তরুণীকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডার সেক্টর ৩৯ থানা এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে পুলিসে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি লক করা গাড়ির ভেতরে অচেতন অবস্থায় এক নারী ও পুরুষকে দেখতে পায়। পরে পুলিস গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য এলাকাটি ঘিরে ফেলে। নিহতরা হল ২৬ বছরের রেখা, নয়ডার সেক্টর ৫৮-এর বাসিন্দা এবং ৩২ বছর বয়সী সুমিত দিল্লির ত্রিলোকপুরীর বাসিন্দা।
পুলিস জানিয়েছে, ওই দুজন আগের দিন থেকেই নিজ নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়েছিল। জানা গেছে, তাদের মধ্যে প্রায় ১৫ বছরের দীর্ঘ সম্পর্ক ছিল এবং বিষয়টি তাদের দুই পরিবারই জানত। মেয়েটি ছেলেটির পরিবারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেত। পুলিসের বক্তব্য, গাড়িটি ভেতর থেকে লক করা ছিল। সুমিতের হাতে একটি পিস্তল পাওয়া গেছে। ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে তদন্ত করেছে।
সূত্রে খবর, সুমিত হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ রেখে গিয়েছে। সেই মেসেজে রেখার সাথে তার ১৫ বছরের সম্পর্ক এবং আত্মহত্যার কারণ বিস্তারিত লিখেছে। মেসেজে লেখা হয়েছে, আমি, সুমিত, আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি। এর জন্য রেখাই দায়ী কারণ সে ১৫ বছর ধরে আমার সাথে সম্পর্কে ছিল এবং আমাকে বিয়ের কথা দিয়েছিল, কিন্তু এখন সে অন্য একজনকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। রেখা আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলেই আমি আত্মহত্যা করছি।
সুমিতের পরিবারে দাবি, এটি কোনও আত্মহত্যার ঘটনা নয়, এটি হত্যাকাণ্ড। মেয়ের পরিবার তাদের জাত তুলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করত। দেশের বাইরে থেকে ফোন করে হুমকি দিত। পুলিসি ব্যবস্ নেওয়ার ভয় দেখানো হতো।
সুমিতের এক আত্মীয় জানান, রেখাদের গ্রাম সালারপুর থেকে মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে গাড়িটি পাওয়া গেছে। জাতিগত বিদ্বেষের কারণে এই যুগলকে টার্গেট করা হয়ে থাকতে পারে। সুমিতের পরিবারের পক্ষ থেকে এই সম্পর্কের ওপর কোনো চাপ ছিল না। সুমিতের এক ভাইয়ের অভিযোগ, আমাদের সন্দেহ, ওদের দুজনকে খুন করা হয়েছে। সুমিত ও রেখা ১০ বছরের বেশি সময় ধরে একসাথে ছিলেন এবং দুই পরিবারই বিষয়টি জানত। রেখা আমাদের পারিবারিক অনুষ্ঠানেও আসত, আমাদের দিক থেকে কোনো বাধা ছিল না।
(Feed Source: zeenews.com)
