Bankura Tourism: সোনামুখীর হানাবাড়ি! নেপথ্যে মাস্টারমাইন্ড ব্যবসায়ী চিকিৎসক! কী ঘটত সেখানে? আজও জানে না অনেকেই

Bankura Tourism: সোনামুখীর হানাবাড়ি! নেপথ্যে মাস্টারমাইন্ড ব্যবসায়ী চিকিৎসক! কী ঘটত সেখানে? আজও জানে না অনেকেই

Bankura Tourism: স্থানীয়দের মধ্যে স্পষ্ট নয় এই বাড়ি কার! অনুসন্ধানে উঠে এল চমকে দেওয়া তথ্য। সোনামুখী শহর ঢোকার পরেই, বাঁ দিকে তাকালে দেখা যাবে একটি প্রাচীন হানাবাড়ি।

সোনামুখী শহর ঢোকার পরেই, বাঁ দিকে তাকালে দেখা যাবে একটি প্রাচীন হানাবাড়ি। স্থানীয়দের মধ্যে স্পষ্ট নয় এই বাড়ি কার। কেউ কেউ বলেন নীলকুঠি আবার কেউ কেউ বলেন ভুতুড়ে বাড়ি। তবে এই বাড়ীর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাঁকুড়ার তৎকালীন সোনামুখী বাণিজ্য নগরীর ইতিহাস। ছবিও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

Bankura Tourism: সোনামুখীর হানাবাড়ি! নেপথ্যে মাস্টারমাইন্ড ব্যবসায়ী চিকিৎসক! কী ঘটত সেখানে? আজও জানে না অনেকেই

চিক সাহেব, আবার কেউ কেউ অপভ্রংশ করে বলতেন চিফ সাহেব। সে যাইহোক। স্থানীয় ইতিহাসবিদদের মতে, চিক সাহেব ছিলেন যথেষ্ট ধুরন্ধর। সোনামুখীকে মুখ্য নিশানা করে শুরু করেছিলেন তুমুল ব্যবসা আর লাভ। কুঠি করে ব্যবসা, বিশেষ করে রেশম,গালা এবং নীল! তিনটেই করতেন তিনি। ব্যবসার বিরাট লাভ প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে বিরাট বাড়ি এবং প্রসারে। বাঁকুড়া শহরেও ছিল তাঁর কুঠি।

ইতিহাস গবেষক সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একেই বলে ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বের হওয়া। প্রশাসক হয়ে এসেছিলেন একজন ডাক্তার। তারপর সোনামুখীর বয়ন শিল্পে হাত জমান তিনি, এরপর গালা, অবশেষে চাষীদের ওপর খুব বসান নীল চাষের মাধ্যমে। ব্যবসার প্রসার ঘটেছিল বিরাট সেই কারণে ইলামবাজারে এই পুরো বিজনেস মডেল তুলে নিয়ে যান তিনি

ইতিহাসবিদদের মতে, চিক সাহেবের অত্যাচারী হওয়ার কথা খুব একটা জানা যায়নি। ধুরন্ধর এই সাহেব শুধুই বুঝতেন কিভাবে ব্যবসায় মুনাফা করতে হয়। সেই কারণে একজন ডাক্তার হয়েও বাঁকুড়ার সোনামুখীর মাটি থেকে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করে করেছেন প্রচুর মুনাফা। তৎকালীন সময়ের এই প্রশাসক ডাক্তারের কথা আপনি জানতেন কি?

বাঁকুড়া শহর থেকে সোজা চলে যান সোনামুখী। ডানদিকে ছোট ছোট জনপদ পার করে বেলিয়াতোড় থেকে পাত্রসায়ের যাওয়ার রাস্তা ধরুন। সোনামুখী প্রবেশ করেই বাঁ দিকে দেখতে পাবেন সুবিশাল হানাবাড়ি। অপেক্ষা করছে ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য। বাড়ি বহন করছে সোনামুখীর ইতিহাস।

এই বাড়ি একজন ব্রিটিশ ডাক্তারের। যিনি পেশায় ডাক্তার হলেও, মনে প্রানে ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসক হয়ে সোনামুখী বাঁকুড়া বর্ধমান সামলাতেন ডক্টর জেএন চিক বা চিক সাহেব। ডাক্তার হয়ে আসলেও, তিনি বুঝেছিলেন সোনামুখীতে রয়েছে রেশম, গালা এবং অত্যন্ত লাভজনক নীল চাষের সম্ভাবনা। তখন থেকে এই কুঠিতে শুরু হয় নীলের কারবার।

(Feed Source: news18.com)