
ইমরানের বোন উজ়মা খান এবং আলীমা খান সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছেন। তাঁদের দাবি, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী মহসিন নকভি এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির ইমরানকে খুনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জেলবন্দি অবস্থায় কী করে ইমরানকে শেষ করা যায়, সেই ছক কষা হচ্ছে। ইমরান নিজে সেকথা তাঁদের জানিয়েছেন বলে দাবি উজ়মা এবং আলীমার। (Imran Khan)
উজ়মা এবং আলীমা জানিয়েছেন, ইমরান নিজে তাঁদের প্রাণহানির সম্ভাবনার কথা জানান ইমরান। ইমরানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, “এরা আমাকে মেরে ফেলবে। আমাকে মেরে ফেলার ছক কষে ফেলেছে এরা।” ইমরানের চোখের অবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উজ়মা এবং আলীমা। তাঁদের বিশ্বস্ত চিকিৎসককে জেলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। তাঁরা বলেন, “মহসিন নকভি আমাদের হুমকি দিচ্ছেন। ওঁরা রক্তের স্বাদ পেয়েছেন। ইমরানের যদি কিছু হয়, আমাদের যদি কিছু হয়, আমাদের কথা লিখে রাখুন, আমরাও ছাড়ব না।”
ইমরানের বোন নৌরীন নিয়াজির বক্তব্য, “ইমরানের চোখ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রেটিনাল ভেন অকালশন ধরা পড়েছে। এটা গাফিলতি নয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নৃশংসতা, যার মাস্টার প্ল্যান রচনা করেছেন আসিম মুনির।” ইমরান ইতিমধ্যেই ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন বলে দাবি তাঁর পরিবারের।
ইমরানের বিশ্বস্ত দুই চিকিৎসক, ডক্টর আসিম এবং ডক্টর ফয়সলকে যাতে জেলে ঢুকতে দেওয়া হয়, তার জন্য় পরিবারের তরফে আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই আবেদন গৃহীত হয়নি বলে অভিযোগ। ইমরানের বোনেদের বক্তব্য, “আমাদের চিকিৎসকরা যে বিশেষজ্ঞদের নাম সুপারিশ করেন, তা প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার। পরিবর্তে বিকল্প নাম দেওয়া হয়। আমাদের তুতো ভাই নওশেরওয়ান বুরকির নাম পাঠানো হয়েছিল পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে। ওর নামও প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার। আমরা স্তম্ভিত। এটা হতে পারে না।”
ইমরানকে যেভাবে জেলবন্দি রাখা হয়েছে, তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করছে পাক সরকার, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও সমালোচনা শুরু হয়েছে। এমতাবস্থায় শেহবাজ শরিফের সরকারে ইমরানকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার ভাবনাচিন্তা চলছে বলে খবর। ইমরানকে নিয়ে তাদের কী ভাবনা, শেহবাজ সরকারের কাছে সেই নিয়ে জবাব চেয়েছে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টও।
(Feed Source: abplive.com)
