
কী ঘটেছিল ?
থানায় হামলার সময় ওই পুলিশ অফিসার সন্তোষ চৌধুরী নিহত হন। পরে তাঁর মৃতদেহ গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। ৫ অগাস্ট সেই দিন যেদিন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল। সেদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও লুঠপাটের একাধিক ঘটনা ঘটেছিল। বাংলাদেশে হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে হিংসাত্মক বিক্ষোভ শুরু হওয়ার এক বছরেরও কম সময় আগে সাব-ইন্সপেক্টর সন্তোষ চৌধুরীর বিয়ে হয়েছিল। হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় হামলায় নিহত হওয়ার তিন মাস পর, চৌধুরীর এক পুত্রসন্তান হয়।
পুলিশ স্টেশনে হামলার দিন, ছাত্র এবং গ্রামবাসী অন্যত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে একটি মিছিলের আয়োজন করেছিলেন। তাঁরা থানার কাছে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ গুলি চালায়, যার ফলে ছয়জন নিহত হন। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী থানা ঘেরাও করেন এবং আগুন ধরিয়ে দেন, যার ফলে বেশ কয়েকজন পুলিশ ভেতরে আটকা পড়েন। রিপোর্ট অনুসারে, সন্তোষ চৌধুরীকে পিটিয়ে হত্যা করে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।
দেড় বছরের বেশি সময় ধরে নৈরাজ্যের কাল দেখছে বাংলাদেশ। দেখেছে লাগাতার হিন্দু নিধন। সংখ্যালঘুদের নৃশংস রক্তপাত। বাংলাদেশে ভোটের একদিন আগেই বুধবার বাংলাদেশের মৌলবীবাজার জেলায় ২৮ বছর বয়সী এক হিন্দু যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীর জুড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। হাত-পা বাঁধা । বোঝাই যায় , কতটা যন্ত্রণা দিয়ে মারা হয় তাঁকে। এই ঘটনা ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করে । বাংলাদেশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির নাম রতন সাহুয়াকার। চম্পা এলাকার চা বাগানে কাজ করতেন এই ব্যক্তি।
(Feed Source: abplive.com)
