Bangladesh Minister Nitai Roy Chowdhury: তারেকের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদে বিএনপির এই হিন্দু নেতা, কে এই নিতাই রায় চৌধুরী?

Bangladesh Minister Nitai Roy Chowdhury: তারেকের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদে বিএনপির এই হিন্দু নেতা, কে এই নিতাই রায় চৌধুরী?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বাংলাদেশে তারেক রহমান মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদ পেলেন দলের সংখ্যালঘু মুখ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী। এবার বাংলাদেশের নির্বাচনে সব দল মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন মোট ৮০ সংখ্যালঘু প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন ৬ জন। কমিউনিস্ট দলগুলি ১৭ জন সংখ্যালঘু প্রার্থীকে দাঁড়ি করিয়েছিল। পাশাপাশি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল ৬ জন প্রার্থী দিয়েছিল।  জামাতে ইসলামি পর্যন্ত ১ জন হিন্দুকে প্রথমবারের মতো প্রার্থী করেছিল।

বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৪ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এদের মদ্যে ২ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী। বাকীরা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষ। বিএনপির মনোনয়নে জয়ী এই দুই হিন্দু প্রার্থী হলেন দলটির নীতি-নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং দলের অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান ও শীর্ষ নেতৃত্বের সিনিয়র উপদেষ্টা নিতাই রায় চৌধুরী।

মাগুরা ২ আসনে বিএনপির টিকিটে লড়াই করেছিলেন নিতাই রায় চৌধুরী। নিতাইবাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৬ ভোট। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াই করে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯৯ ভোটে পেয়েছেন জামাতের প্রার্থী শুশতারশেদ বিল্লাহ। অন্যদিকে ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির টিকিটে লড়াই করেছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি হারিয়েছেন জামাত প্রার্থী শাহিনুর ইসলামকে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। এর পাশাপাশি বিএনপির টিকিটে লড়াই করে হেরেছেন কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল, সোমনাথ দে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এ শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো সাহাবুদ্দিন। তাকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিতাই রায় চৌধুরী এর আগেও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। চতুর্থ জাতীয় সংসদে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-২ আসন থেকে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালন করেন মন্ত্রীর মর্যাদায় মাগুরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে।

১৯৯০ সালের ২ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও ১৯৯০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরশাদ সরকারের পতনের পর তিনি জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দিয়ে বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দেখে নিন তারেক রহমানের মন্ত্রীদের তালিকা

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়-মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

অর্থ ও পরিকল্পনা-আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সালাহউদ্দিন আহমদ

বিদ্যুৎ-ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়-হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ-আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট)।

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়-খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় -আব্দুল আউয়াল মিন্টু

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে

ভূমি ও সংস্কৃতি-মিজানুর রহমান মিনু ও নিতাই রায় চৌধুরী

শিক্ষা মন্ত্রণালয়-আ ম ন এহসানুল হক মিলন

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-ফকির মাহবুব আনাম

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়-শেখ রবিউল আলম পেয়েছেন

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়- আরিফুল হক চৌধুরী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-জহির উদ্দিন স্বপন

কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়-মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-আফরোজা খানম

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব-মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়-আসাদুল হাবিব দুলু

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়-মো.আসাদুজ্জামান

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়- জাকারিয়া তাহের

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রক-দীপেন দেওয়ান পেয়েছেন

(Feed Source: zeenews.com)