Why Golden Horinzon Game Changer Explained: ব্রহ্মসের চেয়েও ক্ষিপ্র! পাকিস্তানের ঘুম ছুটাতে ভারতের হাতে এবার ভয়ংকর ‘মারণাস্ত্র’ গোল্ডেন হরাইজন… কী সেটা? Explained…

Why Golden Horinzon Game Changer Explained: ব্রহ্মসের চেয়েও ক্ষিপ্র! পাকিস্তানের ঘুম ছুটাতে ভারতের হাতে এবার ভয়ংকর ‘মারণাস্ত্র’ গোল্ডেন হরাইজন… কী সেটা? Explained…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের থরহরিকম্প দশা করেছিল যে ভয়ংকর ব্রহ্মস, সেই ব্রহ্মসের থেকেও শক্তিশালী! সেই ব্রহ্মসের থেকেও দ্রুতগতিতে আঘাত হানবে শত্রুপক্ষের নির্ভুল নিশানায়। বদলে যাবে আকাশপথে ভারতের ক্ষমতার সংজ্ঞা-ই। ভারতীয় বায়ুসেনার অস্ত্র ভান্ডারে সংযুক্ত হতে চলেছে এমনই ভয়ংকর শক্তিশালী এক মিসাইল। নাম ‘গোল্ডেন হরাইজন’। বাংলায় যার তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘সোনালি দিগন্ত’।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ইসরায়েল সফরে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তিযোগ হতে চলেছে এই Golden Horinzon ALBM। ২৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলে থাকবেন মোদী। জানা যাচ্ছে, তখনই ভারতের হাতে এই ভয়ংকর ‘মারণাস্ত্র’ তুলে দেওয়ার জন্য মউ স্বাক্ষর করবেন দুই রাষ্ট্রনায়ক। ইসরায়েল ভারতকে তার সুখোই Su-30MKI বহরের সঙ্গেই একসঙ্গে গোল্ডেন হরাইজন এয়ার-লঞ্চড ব্যালিস্টিক মিসাইল (ALBM) অফার করেছে। সেক্ষেত্রে ভারতই হবে প্রথম এবং এখনও পর্যন্ত বিশ্বের একমাত্র দেশ হবে ইসরায়েলের পর যার ভাঁড়ারে আসতে চলেছে  এই ভয়ংকর মিসাইল।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে ‘গোল্ডেন হরাইজন’ আক্ষরিক অর্থেই ভারতের আকাশসীমায় নিয়ে আসবে সোনালি দিন। বিমান থেকে ছোড়া আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আনুমানিক পাল্লা ১,৫০০ কিলোমিটার থেকে ২০০০ কিলোমিটারের মধ্যে। যা শত্রুভূমের গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। এবং একইসঙ্গে শত্রুপক্ষের দূরপাল্লার অত্যাধুনিক ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের নাগালের বাইরে হবে।

গোল্ডেন হরাইজন ALBM কি?

২০২৪ সালের অক্টোবরে ইরানে হামলা চালানোর সময় প্রথম খবরে আসে ইসরায়েলের এই মিসাইল। ফাঁস হয়ে যাওয়া মার্কিন গোয়েন্দা নথি থেকে জানা যায় যে ইসরায়েল দুটি মিসাইল সিস্টেম নিয়ে কাজ করছে। একটি গোল্ডেন হরাইজন এবং আরেকটি রকস। Su-30MKI-এর মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে এই মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হলে, এটা হবে আকাশ থেকেই ছোড়া ব্যালিস্টিক মিসাইল। যা  বিশ্বের খুব কম বিমানবাহিনীরই রয়েছে। গোল্ডেন হরাইজন দিয়ে সজ্জিত একটি Su-30MKI শত্রুপক্ষের SAM-এর হুমকির আওতায় প্রবেশ না করেই প্রতিপক্ষের বিমানঘাঁটি, রাডার নেটওয়ার্ক, কমান্ড নোড এবং লজিস্টিক হাবগুলিকে ধ্বংস করতে পারে। যা কিনা বিতর্কিত হিমালয় সেক্টরে মোতায়েন করা চিনের HQ-9 ব্যাটারি এবং পশ্চিম ফ্রন্টে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান উসকানির মুখে ভারতকে কয়েক কদম এগিয়ে রাখবে।

(Feed Source: zeenews.com)