Bride Shot During Wedding: মালাবদলের আগেই কনের পেটে প্রেমিকের গুলি! আরতির বিয়ের লাল শাড়ি ভেসে গেল রক্তে…

Bride Shot During Wedding: মালাবদলের আগেই কনের পেটে প্রেমিকের গুলি! আরতির বিয়ের লাল শাড়ি ভেসে গেল রক্তে…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিয়ের আনন্দ মুহূর্তে বিষাদে পালটে গেল। মঙ্গলবার রাতে মালাবদলের মঞ্চেই কনেকে গুলি করার অভিযোগ উঠল তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত যুবকের নাম দীনবন্ধু, যিনি কনের প্রতিবেশী বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি বিহারের বক্সারের।

১৮ বছর বয়সী আরতি কুমারী তখন মঞ্চে হবু বরের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। চারপাশ ঘিরে ছিল বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আরতির বোন যখন মঞ্চে বরের কপালে তিলক পরিয়ে দিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝখান থেকে এক যুবক আরতিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির আঘাতে আরতি লুটিয়ে পড়েন। পেটে গুলি লাগায় মুহূর্তের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে হুড়োহুড়ি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উপস্থিত অতিথিরা কনেকে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেন, আবার অনেকেই ভয়ে অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে পালান।

আহত আরতিকে প্রথমে স্থানীয় সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁকে বারাণসী ট্রমা সেন্টারে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। আরও জানা যায়, আরতি অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে তিনি পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন যে, ‘দীনবন্ধু আমাকে গুলি করেছে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এক মুখোশধারী ব্যক্তি হঠাৎ মঞ্চে উঠে গুলি চালায়। অনুষ্ঠানস্থলে জোরে বাজনা শুরুতে গুলির শব্দ ঢেকে দেয়, কিন্তু কিছুক্ষণ পরে আরতি পড়ে গেলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অতিথিরা লক্ষ্য করেন যে তার পেট থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

পুলিস জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ। অভিযুক্ত দীনবন্ধু বর্তমানে পলাতক। তদন্তের স্বার্থে পুলিস অভিযুক্তের বাবা-মাকে আটক করেছে। অভিযুক্ত যুবক এর আগেও মাদক মামলায় জেল খেটেছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। ঘটনার পর উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলা থেকে আসা বরযাত্রীরা রাতেই ফিরে যান। স্থানীয়দের ধারণা, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই এই হামলা চালানো হয়েছে। পুলিস অভিযুক্তকে ধরতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রায় দুই বছর ধরে আরতিকে বিরক্ত করত। তারা আরও দাবি করেছেন যে, তার বিয়ে আগে ঠিক হওয়ার পর, সে বরের পরিবারকে হয়রানি করত, যার ফলে আগে বিয়ে বাতিল হয়। অভিযুক্তের বাবা রামশঙ্কর চৌধুরী বলেছেন যে তিনি তার ছেলে এবং ভুক্তভোগীর মধ্যে আদৌ কোনও সম্পর্ক ছিল না তা ধারণা নেই। মুফাসসিল থানার পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। অতিরিক্ত এসএইচও চন্দন কুমার বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে ঘটনাটি ব্যক্তিগত বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

(Feed Source: zeenews.com)