
হিসাব বলছে শুধু সবচেয়ে বেশি নয়। এই তালিকার প্রথম দুটো দেশই রয়েছে এশিয়া মহাদেশে। গত কয়েক বছর ধরে সোনা কেনার প্রতিযোগিতায় প্রথম দুটো দেশের নাম হয় ভারত আর নাহলে চিন। সাধারণত এই তালিকায় ভারত দ্বিতীয় স্থানেই থাকে। কিন্তু গত ২০২৪ সালে ভারত ৮০০ টনের বেশি সোনা আমদানি করেছিল। যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি আর যা সেই বছর সর্বোচ্চ। আসলে ওই বছর ভারতের জুয়েলারি সেক্টরে চাহিদা বেড়েছিল হু হু করে। আর সেই কারণেই একলাফে চিনকে সরিয়ে দিয়ে এই তালিকায় উপরের দিকে উঠে এসেছিল আমাদের দেশ।
তথ্য বলছে ওই বছর শুধুমাত্র জুয়েলারির সেক্টরের জন্যই প্রায় ৫৬৩ টন সোনা আমদানি করতে হয়েছিল ভারতকে। আসলে ভারতীয়দের কাছে সোনা শুধুমাত্র কোনও বিনিয়োগ নয়। ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সোনা অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে রয়েছে। একটা তথ্য শুনলে অভাব হতেই হয়। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন ভারতের সাধারণ মানুষের কাছে যে পরিমাণে সোনা রয়েছে তা আমেরিকা, জার্মানি, ইতালী বা রাশিয়ার কাছে থাক সোনার তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা হিসাব করে বলেছেন শুধুমাত্র ভারতের সাধারণ মানুষের কাছেই হয়তো ২৫ হাজার টন সোনা রয়েছে।
সাধারণত চিন সোনার সবচেয়ে বড় গ্রাহক। বছরে ৬৩০ থেকে ৯৮০ টনের মধ্যে সোনা কেনে তারা। চিন জুয়েলারি, বিনিয়োগ ও শিল্পের চাহিদা মেটাতে সোনা কেনে। তবে ভারত বা চিন ছাড়াও আরও অনেক দেশই সোনা কেনে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে আমেরিকা। তেমনই রয়েছে জার্মানি, থাইল্যান্ড, সৌদি আরব বা তুরস্কের মত দেশও।
তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে, এই দামটা শুধুমাত্র সোনা ও রুপোর দাম। আপনি যদি গয়না কিনতে যান তাহলে এর সঙ্গে যুক্ত হবে জিএসটি ও মেকিং চার্জ। এখানে পাওয়া সমস্ত তথ্যই স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি থেকে পাওয়া। সোনা বা রুপোর দাম বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে। ফলে, কেনার আগে সব বিষয় যথাযথ ভাবে দেখে নিয়ে তারপর সোনা কিনুন।
(Feed Source: abplive.com)
