Iran Israel War: চোখে চোখ রেখে আমেরিকা-ইসরায়েলকে জবাব দিতে ইরানের হাতে কী কী ভয়ংকর অস্ত্র?

Iran Israel War: চোখে চোখ রেখে আমেরিকা-ইসরায়েলকে জবাব দিতে ইরানের হাতে কী কী ভয়ংকর অস্ত্র?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ক্রমাগত পাল্টা আঘাত হানছে ইরান। আর তার পিছনে রয়েছে ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার। শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খোমেইনি সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। আর তারপরই পাল্টা জবাব দিতে যুদ্ধ ঘোষণা করে তেহরান।

মার্কিন হামলার মুখে ইরান যে কোনওভাবেই আপোস করবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, খোমেইনি ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়া দেশের “দায়িত্ব এবং বৈধ অধিকার।” এরপরই ইরান একযোগে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে  অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

যুদ্ধে ইরান কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করছে?

ইরানের অস্ত্রভান্ডারে রয়েছে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সর্বাধিক দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জ প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার থেকে ২,৫০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ, এই ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েল, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি এবং বিস্তৃত এলাকায় আঘাত হানতে সক্ষম। যদিও ট্রাম্পের দাবি, ইরানের এই মিসাইল যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম নয়।

প্রসঙ্গত, ইরান ঘোষণা করেছে, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফাতাহ-২ হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। এমনকি আরও দাবি করেছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ‘সারপ্রাইজ অ্যাটাক’ করা হয়েছে। আর তাঁর ভাগ্য “অনিশ্চিত।” ফাতাহ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে রয়েছে  জোলফাগার, কিয়াম-১ এবং পুরোনো শাহাব-১ ও শাহাব-২।

স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র: ‘ফার্স্ট পাঞ্চ’

ইরানের স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফার্স্ট পাঞ্চ’-এর রেঞ্জ  প্রায় ১৫০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার। এগুলো নিকটবর্তী সামরিক লক্ষ্যবস্তু এবং দ্রুত আঞ্চলিক হামলার জন্য তৈরি। এখন একসাথে অনেকগুলি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলে- শত্রুপক্ষকে বিব্রত করা সুবিধাজনক হয়ে পড়ে। কারণ এক্ষেত্রে বাঞ্চ অফ মিসাইল আগাম প্রতিরোধ কঠিন হয়ে পড়ে।

মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র

ইরানের হাতে রয়েছে ১,৫০০-২,০০০ কিলোমিটার রেঞ্জের মাঝারি-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র খাইবারশেইকেন, শাহাব-৩, এমাদ, গাদর-১, খোররামশাহর রূপ এবং সেজ্জিলের মতো সিস্টেমও। এই মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলির আওতায় পড়ে ইসরায়েল, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাশাহীতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলি।

ক্রুজ মিসাইল এবং ড্রোন

ইরানের হাতে সৌমার, ইয়া আলি, কুদস রূপ, হোভেইজেহ, পাভেহ এবং রাদের মতো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসকারী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও। যেখানে সৌমারের পাল্লা ২,৫০০ কিলোমিটার।

(Feed Source: zeenews.com)