
শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেছেন, “শ্রীলঙ্কা নৌসেনা ইরানের জাহাজ থেকে জরুরি সিগন্যাল পাওয়ার পর উদ্ধারকাজে নেমেছে।” তিনি নিশ্চিত করেছেন, নৌসেনা ইতিমধ্যে ৩২ জন আহতকে উদ্ধার করেছে। তাঁরা এই মুহূর্তে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী বিজয় হেরাথ এর আগে জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েছেন, ডুবন্ত জাহাজে থাকা মানুষদের উপকূলের কাছে মেডিক্যাল কেয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও এর বেশি তথ্য তিনি দেননি এবং বলেছেন, এই ঘটনায় যথাযথ পদক্ষেপ নেবে শ্রীলঙ্কা।
যুদ্ধ কবে থামবে তার কোনও ইঙ্গিত এখনও নেই। উপরন্তু, একে অপরকে নিশানা করে বাক্যবাণ ছুঁড়ছে দুই পক্ষই। ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ পঞ্চম দিনেও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। হামলা-পাল্টা হামলার খবর আজও সামনে আসছে। যুদ্ধবিমানের কান ফাটানো আওয়াজ, ড্রোন আর মিসাইল থেকে ঠিকরে আসা আগুনের ঝলকানি, সঙ্গে মুহুর্মুহু সাইরেন, পশ্চিম এশিয়ার আকাশজুড়ে শুধুই যুদ্ধের গর্জন। শনিবার থেকে শুরু হওয়া সামরিক সংঘাত মেটার কোনও লক্ষণ তো নেইই, উল্টে পঞ্চম দিনেও তা পুরোদস্তুর জারি রয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেমন ইরানের শেষ দেখে ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তেমনই, তেহরানের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আক্রমণ বন্ধ না হলে, হামলার রাস্তা থেকে সরবে না তারাও।
এই আবহে ইরানের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তেহরানে নতুন করে একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইজরায়েলি সেনা সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ইরানের বিভিন্ন লঞ্চ সাইট বা উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য পরিকাঠামোকে টার্গেট করে আরও জোরাল এয়ার স্ট্রাইক চালানো হচ্ছে। ইরানের সেরা সাবমেরিনগুলি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আমেরিকা। অন্যদিকে, ইরানের তরফে ইজরায়েলে প্রত্যাঘাত জারি রয়েছে। চলছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
(Feed Source: abplive.com)
