
IIT Kharagpur AI Training: এই স্কুল দেশের প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। ভবিষ্যতে ভারতকে এআই ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেবে।
খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিকে আরও বাস্তবমুখী ও শিল্পসংযুক্ত করতে বড় পদক্ষেপ নিল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, আইআইটি খড়গপুর। প্রতিষ্ঠানে উদ্বোধন হল ‘জ্যোতি চ্যাটার্জি স্কুল অব ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’। কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি শুধু একটি নতুন বিভাগ নয়, বরং গবেষণা থেকে বাস্তব প্রয়োগ পর্যন্ত সম্পূর্ণ একটি এআই ইকোসিস্টেম।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে খবর, এই স্কুলটি ডিন (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট)-এর অধীনে কাজ করবে এবং একাডেমিয়া, শিল্প ও সরকারের মধ্যে সরাসরি সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। ল্যাবরেটরিতে গবেষণা, প্রোটোটাইপ তৈরি এবং তা শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োগ—এই পুরো প্রক্রিয়াকে এক ছাতার তলায় আনা হবে। এই উদ্যোগে বড় আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন আইআইটি খড়গপুরের প্রাক্তনী ড. জ্যোতি চ্যাটার্জি (বি.টেক, ১৯৭৭)। তিনি আগামী পাঁচ বছরে মোট ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সময় ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
নতুন এই স্কুলে ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেশিন লার্নিং, ডিপ নিউরাল সিস্টেম, আইওটি, রোবোটিক্স, ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ডিজিটাল হেলথ—সহ একাধিক আধুনিক প্রযুক্তিক্ষেত্রকে একত্রিত করা হবে। পাশাপাশি স্কুল অব মেডিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সঙ্গে যৌথভাবে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এআই প্রয়োগের কাজও এগোবে।
আইআইটি খড়গপুরের পরিচালক অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী বলেন, “এই উদ্যোগ গবেষণাকে সরাসরি জাতীয় শক্তিতে রূপান্তর করার একটি বড় পদক্ষেপ। শিল্প, একাডেমিয়া ও সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় দেশীয় এআই সমাধান গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।” প্রতিষ্ঠানের মতে, এই স্কুল দেশের প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এবং ভবিষ্যতে ভারতকে এআই ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেবে।
