জ্বালানি সঙ্কট চরমে, নিজেদের সঞ্চয় ভাঙছে জাপান, অন্যদের তেল দেবে টোকিও

জ্বালানি সঙ্কট চরমে, নিজেদের সঞ্চয় ভাঙছে জাপান, অন্যদের তেল দেবে টোকিও
নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সঙ্কটে গোটা বিশ্ব। সেই আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিল জাপান। নিজেদের সঞ্চিত তেলের কিছু অংশ অন্য দেশগুলিকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তারা। ভূরাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যে তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানাল তারা। (Oil Crisis)

১৬ মার্চের মধ্যে নিজেদের সঞ্চিত তেলের কিছুটা অংশ ছাড়বে জাপান। টোকিওয় সাংবাদিক বৈঠক করে দেশের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি জানান, বেসরকারি ক্ষেত্রের সঞ্চয় থেকে ১৫ দিনের মতো এবং সরকারি সঞ্চয় থেকে এক মাস চলার মতো তেল অন্যদের দেওয়া হবে, যাতে সরবরাহ নির্বিঘ্ন থাকে। (Global Oil Crisis)

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল একযোগে ইরানে হামলা চালনোর পর থেকেই টালমাটাল অবস্থা। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ, যাতে জোর ধাক্কা খেয়েছে তেল সরবরাহও। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলিতে পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক। সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। দামেও হাত পুড়ছে সকলের। সেই আবহে সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দিল জাপান। 

প্রাকৃতিক বিপর্যয়, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই বিভিন্ন দেশের সরকার তেল মজুত করে, যাতে আচমকা বিপর্যয় নেমে এলেও অর্থনীতিতে থমকে না যায়। জাপান মূলত অন্য দেশ থেকে তেল আমদানিই করে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকেই সবচেয়ে বেশি তেল আমদানি করে তারা, যেখানে এই মুহূর্তে যুদ্ধ চলছে। 

G7 দেশগুলির মধ্যে জাপানই প্রথম নিজেদের সঞ্চয় থেকে তেল ছাড়তে রাজি হল। চলতি সপ্তাহের গোড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) তাবড় অর্থনীতিকে এব্যাপারে হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ জানায়। G7 দেশগুলির মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠকও হয় সেই নিয়ে। এর পরই নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাল জাপান। ফ্রান্স পারস্পরিক সহযোগিতার কথা বললেও, এখনও পর্যন্ত তেল ছাড়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি তারা।

(Feed Source: abplive.com)