
১৮ তম দিনেও পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণ নেই। এবার দুবাইতে ইরানের ড্রোন হামলার জেরে ফের বাতিল হল বিমান। আপাতত বন্ধ হল ভারত থেকে দুবাইগামী বিমান পরিষেবা। দুবাইয়ের কাছে গিয়েও ফিরে আসতে হয়ছে বহু বিমানকে। মূলত, ক্রমশ ভয়ঙ্কর হচ্ছে মধ্য়প্রাচ্যের যুদ্ধ। যুদ্ধের রেশ আছড়ে পড়েছে ভারতের দোরগোড়ায়। বুধবার ভারত থেকে ফেরার পথে শ্রীলঙ্কার উপকূলে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে আমেরিকা। এই আবহেই প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।
এক্স পোস্টে তিনি লিখেছেন, “ভারত মহাসাগরে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যাওয়ার পর সংঘাত আমাদের বাড়ির উঠোনে পৌঁছেছে। তবুও প্রধানমন্ত্রী কিছুই বলেননি।এরকম মুহূর্তে, আমাদের চালক হিসেবে দৃঢ় হাতের প্রয়োজন।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অবশ্য জানিয়েছেন, ”ইউক্রেন থেকে পশ্চিম এশিয়া, পৃথিবীর নানা প্রান্তে সংঘর্ষ চলছে। বিশ্বজুড়ে এমন পরিস্থিতিতে ভারত ও ইউরোপ, দুনিয়ার দুই বড় কূটনৈতিক শক্তি নিজেদের সম্পর্কে আরও আন্তরিক হচ্ছে।”
যুদ্ধবিমান থেকে ধোয়ে আসছে মারণবোমা। লাগাতার চলছে মিসাইল, ড্রোন হামলা। মৃতের সংখ্যা হাজার পার করেছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ক্রমশ ভয়ঙ্কর আকার নিচ্ছে।ইরানকে বাগে আনতে মরিয়া আমেরিকা।পাল্টা হুঙ্কার ছাড়ছে ইরানও। যুদ্ধ যে আরও ভয়ঙ্কর দিকে এগোচ্ছে ক্রমশ তা স্পষ্ট হচ্ছে। এই আবহে সেনেটে নতুন করে অক্সিজেন পেলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে ৫৩-৪৭ ভোটে খারিজ হয়ে গেছে ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ প্রস্তাব।
আমেরিকা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে খুব ভালো করছি। আমরা ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখব। আমাদের সামরিক বাহিনী বিশ্বের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং এটি বাকিদের তুলনায় অনেক এগিয়ে। বছরের পর বছর ধরে এটা আমাদের জন্য একটা বড় বিপদ ছিল। ৪৭ বছর ধরে তারা (ইরান) বিশ্বজুড়ে আমাদের লোকজনকে হত্যা করে আসছে। ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতহালি বলেন, আমরা যুদ্ধ চাইনা, কিন্তু আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। আমরা সমঝোতায় যেতে চেয়েছিলাম। তারা সমঝোতার রাস্তাকে ধ্বংস করেছে। যুদ্ধের রেশ আছড়ে পড়েছে ভারতের দোরগোড়ায়।
(Feed Source: abplive.com)
