Oscars 2026: অস্কারের মঞ্চে ট্রাম্পকে ‘ধুয়ে দিলেন’ কোনান, এপস্টিন কাণ্ড টেনে বিস্ফোরক মন্তব্য: ভাইরাল ভিডিও

Oscars 2026: অস্কারের মঞ্চে ট্রাম্পকে ‘ধুয়ে দিলেন’ কোনান, এপস্টিন কাণ্ড টেনে বিস্ফোরক মন্তব্য: ভাইরাল ভিডিও

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে হাসির ছলে বিঁধলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে আয়োজিত অস্কারের উদ্বোধনী ভাষণেই সঞ্চালক কোনান ও’ব্রায়েন টেনে আনলেন কুখ্যাত জেফরি এপস্টিন প্রসঙ্গ। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সরাসরি না নিলেও, ব্রিটিশ রাজপরিবার ও এপস্টিন কানেকশন নিয়ে তাঁর শাণিত বিদ্রুপ যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দিকেই লক্ষ্য ছিল, তা নিয়ে সরগরম হলিউড।

এবারের অস্কারে কোনো ব্রিটিশ অভিনেতা বা অভিনেত্রী মনোনীত না হওয়া নিয়ে রসিকতা শুরু করেন কোনান। এরপরই তিনি বলেন, “এ বছর কোনো ব্রিটিশ অভিনেতা মনোনীত হননি ঠিকই, তবে একজন ব্রিটিশ মুখপাত্র জানিয়েছেন— অন্তত আমরা তো আমাদের দেশে থাকা পেডোফাইলদের (শিশু যৌন নিগ্রহকারী) গ্রেফতার করি!”

কোনানের এই মন্তব্যটি কার্যত একটি ‘ডাবল ব্যালড’ আক্রমণ। একদিকে এটি ইঙ্গিত করেছে ব্রিটেনের প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সাম্প্রতিক গ্রেফতারির দিকে, অন্যদিকে এটি বিঁধেছে আমেরিকার সেই প্রভাবশালী ব্যক্তিদের, যাঁদের নাম এপস্টিন ফাইলে থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেই জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে এবং পাবলিক অফিসে অসদাচরণের অভিযোগে গ্রেফতার হন ব্রিটিশ রাজপুত্র অ্যান্ড্রু (অ্যান্ড্রু উইন্ডসর) এবং প্রাক্তন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসন। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টিনের বহু পুরনো ছবি এবং সামাজিক যোগাযোগের কথা সর্বজনবিদিত। যদিও ট্রাম্প বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আইনি প্রমাণ মেলেনি, তবুও অস্কারের মঞ্চে কোনানের এই বিদ্রুপ বুঝিয়ে দিল যে মার্কিন জনমানসে এই বিতর্ক এখনও কতটা তাজা।

কোনানের এই মনোলোগের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ডলবি থিয়েটারের ভেতরে উপস্থিত তারকাদের মধ্যে যেমন হাসির রোল ওঠে, তেমনই অনেকের মুখেই ফুটে ওঠে অস্বস্তি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬-এর অস্কারের মঞ্চ কেবল সিনেমার উদযাপন থাকল না, তা হয়ে উঠল রাজনৈতিক প্রতিবাদের এক প্ল্যাটফর্ম।

(Feed Source: zeenews.com)