
Success Story: একসঙ্গে দুই ট্রেডে বাজিমাত, ইনস্ট্রুমেন্টেশনে প্রথম, ইলেকট্রনিক্সে চতুর্থ হয়েছেন বিষ্ণুপুরের শিক্ষক রাজা মাঝি। তাঁর কর্মজীবনের পথও বেশ অনুপ্রেরণামূলক।
বাঁকুড়ার শিক্ষক রাজা মাঝি
বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়: বিষ্ণুপুরের গর্ব আবারও উজ্জ্বল করলেন সরকারি কেজি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষক রাজা মাঝি। সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা ‘গেট’ পরীক্ষায় তিনি ফের দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। এর আগেও ২০২৪ সালে নিজের ট্রেডে গেট পরীক্ষায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছিলেন তিনি। ধারাবাহিক এই সাফল্য প্রমাণ করে তাঁর অসামান্য মেধা, অধ্যবসায় এবং বিষয়ের উপর গভীর দখল।
রাজা মাঝির কর্মজীবনের পথও বেশ অনুপ্রেরণামূলক। তিনি ইসরোর মতো মর্যাদাপূর্ণ সংস্থার চাকরি ছেড়ে রাজ্য সরকারের চাকরিকে অগ্রাধিকার দেন। পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দিয়ে বর্তমানে বিষ্ণুপুর সরকারি কেজি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যাপনা করছেন। নিজের মাটিতে থেকে শিক্ষাদান এবং নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
এই সাফল্যে তাঁর পরিবার যেমন আনন্দিত, তেমনই বিষ্ণুপুরের মানুষও গর্বিত। বিশেষ করে কেজি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রছাত্রীরা এমন একজন মেধাবী ও অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষককে পেয়ে নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করছেন। রাজা মাঝির এই সাফল্য নিঃসন্দেহে আগামী দিনের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক বড় প্রেরণা হয়ে থাকবে। রাজা মাঝির এই ধারাবাহিক সাফল্য শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং গোটা জেলার শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দিশা দেখাচ্ছে। তাঁর এই কৃতিত্ব প্রমাণ করে সঠিক লক্ষ্য, পরিশ্রম এবং অধ্যবসায় থাকলে যে কোনও সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীদের কাছে তিনি শুধু একজন শিক্ষক নন, বরং একজন আদর্শ ও অনুপ্রেরণা। আগামী দিনে তাঁর হাত ধরেই আরও অনেক মেধাবী ছাত্রছাত্রী জাতীয় স্তরে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে, এমনটাই আশা করছেন শিক্ষা মহল।
