আদৌ খুলবে হরমুজ? সমাধান সূত্র খুঁজতে এগিয়ে এল একাধিক দেশ

আদৌ খুলবে হরমুজ? সমাধান সূত্র খুঁজতে এগিয়ে এল একাধিক দেশ
নয়াদিল্লি: হরমুজ প্রণালী কি এবার খুলে যাবে? এই নিয়েই সমাধান সূত্র খুঁজছে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যেই যৌথ ভাবে একটি চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ একাধিক দেশ। মাঠে নেমেছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। জাপান, চিন, দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। এক কথায় বিশ্বজুড়ে হরমুজ যে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি করেছে, তা এবার স্পষ্ট। বিঘ্নিত গোটা বিশ্বের আমদানি রফতানির কাজ।

গত মাসের শেষের দিকে তেহরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলা। তার ঠিক দিন দুয়েকের মধ্যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তেহরান। এই সময়কালে ইরানের ‘নীতি বাহিনী’ বা ইরান রেভোলিউশোনারি গার্ডস ঘোষণা করে দেশের সুরক্ষার স্বার্থে হরমুজ প্রণালী হয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হল। আর এই সিদ্ধান্ত সমস্ত আন্তর্জাতিক বিধিকে মাথায় রেখেই নেওয়া হয়েছে। তবে এই হরমুজ প্রণালী একেবারে বিশ্বের আর পাঁচটা প্রণালীর মতো নয়। গোটা বিশ্বের তেল, খাদ্যশস্য সরবরাহ হয় হরমুজ হয়েই। তাতেই বাধ সেধে ছিল ইরান। যার পরিণতি কতটা ভয়ঙ্কর তা বিশ্ব এখন দেখছে।

শনিবার তেহরানের প্রশাসনের সঙ্গে কূটনৈতিক পরিসরে যোগাযোগ করে দক্ষিণ কোরিয়া। সম্প্রতি ইরান জানিয়েছে, তাঁরা জাপানমুখী জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী পারাপারে অনুমতি দিয়েছে। তারপরই ছাড়পত্র পেতে এগিয়ে এসেছে দক্ষিণ কোরিয়াও। শুক্রবার আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমস্ত দেশ এবং জাপানের সঙ্গে একটি যৌথ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। যাতে দাবি জানানো হয়েছে, দ্রুত হরমুজ খুলে দেওয়ার। পাশাপাশি, উপসাগরীয় দেশগুলিতে ইরানের চালানো হামলার নিন্দা করা হয়েছে সেই চুক্তিপত্রে।

একদিকে যেমন হরমুজ প্রণালী নতুন করে খোলার দাবিতে এগিয়ে এসেছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। সেই সময় কিন্তু চুপ করে বসে নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। একদম পরিসংখ্যান ধরে ধরে হরমুজের প্রয়োজনীয়তা মনে করিয়েছেন তিনি। গত ১৬ মার্চ জাপান, চিন এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আবেদন জানান ট্রাম্প। পাশাপাশি তিনি বলেন, “জাপান হরমুজের উপর ৯৫ শতাংশ নির্ভর করে। চিন নির্ভর করে ৯০ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়া নির্ভর করে ৩৫ শতাংশ। কিন্তু আমেরিকা মাত্র ১ শতাংশ। তাই আমরা চাই আপনাদের স্বার্থ সুরক্ষিত হোক।” তবে ট্রাম্পের এই আর্জি যে সংশ্লিষ্ট দেশগুলি রেখেছে বলে জানা যায়নি।

(Feed Source: abplive.com)