Bengaluru Shocker: মা-দিদি-ভাগ্না: পরপর তিনজনের গলা কাটল মোহন, তারপর নিজের গলাতেও চালাল ছুরি

Bengaluru Shocker: মা-দিদি-ভাগ্না: পরপর তিনজনের গলা কাটল মোহন, তারপর নিজের গলাতেও চালাল ছুরি

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ঋণের দায়ে জর্জরিত, যার জেরে আত্মহত্যার চেষ্টা গোটা পরিবারের। ইতোমধ্যেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আরও দুইজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিস জানিয়েছে, মৃতরা হলেন আশা (৫৫) এবং তার মেয়ে বর্ষিতা (৩৪)। ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, বর্ষিতার ভাই মোহন গৌড়া (৩২) এবং তাঁর ১১ বছর বয়সী ছেলে মায়াঙ্ক গুরুতর আহত অবস্থায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। পুলিসের ধারণা, মোহন প্রথমে তাঁর মা, বোন এবং ভাগ্নের গলা কেটে খুনের চেষ্টা করেন। পরে একইভাবে নিজের জীবন নেওয়ার চেষ্টা করেন।

চরম পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পরিবারটি একটি ভিডিয়ো রেকর্ড করে। এবং সেটি আত্মীয়দের পাঠিয়ে দেয়। যেখানে তারা স্পষ্ট করে জানায় যে ঋণের বোঝা সইতে না পেরেই তাঁরা চরম পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর স্বজনরা দ্রুত তাঁদের বাড়িতে পৌঁছান। সদর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তারা পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকে চারজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিস।

বেঙ্গালুরু গ্রামীণ পুলিস সুপার চন্দ্রকান্ত এম.ভি জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে বিশাল অঙ্কের ঋণের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। মোহন মূলত ‘চিট ফান্ড’ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যেখানে ৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হত। এছাড়া তিনি উগাদি উৎসবে মাংস এবং দিওয়ালিতে বাজি সংক্রান্ত মৌসুমি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

পুলিস আরও জানায়, ব্যবসায়িক ঋণের পাশাপাশি মোহনের বিলাসিতা ও আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপনের কারণে ঋণের বোঝা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সেই টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েই পুরো পরিবার এই পথ বেছে নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিস ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আরও তদন্ত চালাচ্ছে।উল্লেখ্য, মধ্যপ্রদেশের ২২ বছরের যুবক ইনস্টাগ্রাম লাইভে এসে চরম পদক্ষেপ নেন। মনোজ রাজাক নামে ওই যুবক ১৪ মিনিটের ইনস্টাগ্রামে লাইভ করে। তারপর শেষে সেখানে শেষবার হাত নাড়িয়ে ফ্লাইং কিস দিয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়।

পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মনোজের মা অনেক আগে মারা গিয়েছেন। পরিবার থেকে জানা যায়, বাবার দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে তিনি ভাড়া ঘরে আলাদা থাকতেন। মনোজ পেশায় প্লাম্বার। এছাড়াও তিনি নিজের ঘর থেকে রেডিমেড জামাকাপড়ও বিক্রি করতেন। বন্ধুরাও জানিয়েছে, মনোজ খুবই ভালো স্বভাবের মানুষ ছিলেন। কিন্তু তাঁর ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি। কী কারণে মনোজ এই পদক্ষেপ নেন, তা পরবর্তী তদন্তে জানা যাবে।

আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ…
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭
২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন– কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)

(Feed Source: zeenews.com)