Rahul Arunoday Banerjee Death: রাহুলের অপমৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে ‘বড় পদ’ থেকে ইস্তফার পথে লীনা, প্রযোজনা সংস্থার বিবৃতিতে এল দুর্ঘটনার ব্যাখাও

Rahul Arunoday Banerjee Death: রাহুলের অপমৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে ‘বড় পদ’ থেকে ইস্তফার পথে লীনা, প্রযোজনা সংস্থার বিবৃতিতে এল দুর্ঘটনার ব্যাখাও

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ওড়িশার তালসারিতে শুটিং চলাকালীন অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুতে উত্তাল বাংলা বিনোদন জগত। দুর্ঘটনার পর থেকেই আঙুল উঠছিল প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’-এর দিকে। অবশেষে বুধবার দীর্ঘ বিবৃতি জারি করে একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করল সংস্থাটি। তদন্তের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়।

তদন্তে স্বচ্ছতা ও অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট
ম্যাজিক মোমেন্টস জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ঠিক কী ঘটেছিল তা জানতে তারা অভিনেতা ও কলাকুশলীদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছে। যেহেতু সেটের অনেকেই ট্রমার মধ্যে রয়েছেন, তাই একটি সঠিক রিপোর্ট তৈরি করতে আরও কয়েক দিন সময় চেয়েছে তারা। এই প্রক্রিয়া যাতে স্বচ্ছ থাকে, তার জন্য রাহুলের পরিবার বা আর্টিস্ট ফোরামের কোনো প্রতিনিধিকে পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা।

লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্টীকরণ
বিবৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এতদিন ম্যাজিক মোমেন্টসকে ‘লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের সংস্থা’ হিসেবে চেনা হলেও, সংস্থাটি দাবি করেছে লীনা মূলত একজন লেখক ও সৃজনশীল প্রধান (Creative Head)। তিনি কোনো ‘অপারেশনাল এক্সিকিউটিভ’ নন। কোম্পানির প্রশাসনিক বা পরিকাঠামো সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তাঁর ভূমিকা সীমাবদ্ধ। বর্তমানে তিনি পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন পদে আসীন। তদন্তে যাতে তাঁর এই পদের কোনো প্রভাব না পড়ে বা ‘স্বার্থের সংঘাত’ না ঘটে, তাই তিনি পদত্যাগ করতে ইচ্ছুক বলে জানানো হয়েছে।

দুর্ঘটনার বর্ণনা
সংস্থার দাবি, রাহুল কতক্ষণ জলের তলায় ছিলেন তা নিয়ে মিডিয়ায় যে ‘৪০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা’র দাবি করা হচ্ছে, তা সম্ভবত ভুল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উদ্ধারের সময় রাহুল জীবিত ছিলেন এবং যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। তাঁকে প্রথমে স্থানীয় ক্লিনিকে নেওয়া হলেও সেখানে ডাক্তার না থাকায় দিঘা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘটনার সময় ডিরেক্টর শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় মুম্বাইতে ছিলেন, খবর পেয়েই তিনি কলকাতায় ফেরেন। রাহুলের পরিবারের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে তারা প্রস্তুত। এমনকি শুটিং ফুটেজ, পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের রেকর্ড এবং সমস্ত আইনি নথিপত্র পরিবারের সদস্যদের বা প্রতিনিধিদের দেখাতেও রাজি তারা। সব মিলিয়ে, নিজেদের ওপর ওঠা গাফিলতির অভিযোগ খণ্ডন করতে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার বার্তা দিতেই এই দীর্ঘ বিবৃতি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

(Feed Source: zeenews.com)