
আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শেষ হতে চলেছে ২২ এপ্রিল। আর তার আগে ট্রাম্পের ইরানের সঙ্গে আবার আলোচনা করতে চাওয়া, একটা গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, এই আলোচনা ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এর মধ্যে, উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকার হরমুজ প্রণালী ব্লক করার ঘটনা। এর ফলে, বিশ্বের অন্যতম জ্বালানি করিডোরের অবস্থা এই মুহূর্তে সঙ্গীন। এর মধ্যে দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ। এর ফলে, সমগ্র এশিয়ার সমগ্র অর্থনীতিতে একটা চাপ তৈরি হচ্ছে। কারণ, ইতিমধ্যে একাধিক দেশকে হরমুজ দিয়ে তেল নিয়ে যেতে দিচ্ছিল ইরান। এবার আমেরিকা হরমুজ প্রণালী ব্লক করায় চাপ তৈরি হয়েছে সেই সব দেশের অর্থনীতিতে।
নিউ ইয়র্ক পোস্টকে এদিন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আপনাদের উচিত সেখানে থাকা। কারণ আগামী ২ দিনে কিছু একটা ঘটতে পারে এবং আমরাও সেদিকেই যেতে আগ্রহী।” এ ছাড়াও পাকিস্তানের আসিম মুনিরেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
এই আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হতে পারে? সূত্রের খবর, ইরানের নেতারা বলছেন, এই আলোচনা তাঁরা এগিয়ে নিয়ে যেতে ইচ্ছুক। যদি তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয় যে ফলাফল যাই হোক না কেন, সেটা যেন তাদের কৌশলগত জয় হিসাবেই গণ্য হয়।
সূত্রের খবর, ইসলামাবাদে যে আলোচনা হয়েছে, সেই আলোচনার খসড়া কাঠামো ও মিটিংয়ের মিনিটস ইতিমধ্যেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। এই খসড়া এখনও দুই দেশের নেতাদের কাছে পর্যালোচনার পর্যায় রয়েছে। এর ফলে, আনুষ্ঠানিক আলোচনা আবার তৈরি হতেই পারে।
আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে, নাকি আলোচনা বন্ধ করে দেওয়া হবে? এই নিয়ে নাকি দ্বিধায় ভুগছিল ইরানও। ফলে, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য শর্তসাপেক্ষ অনুমোদন দেওয়ার আগে ইরান তার একাধিক মিত্রে দেশ, যথা চিন বা রাশিয়ার সঙ্গেও পরণমর্শ করেছে বলেই জানা গিয়েছে। এই আলোচনা বা মিত্রদের সঙ্গে ইরানের পরামর্শ বৃহত্তর ভূ রাজনৈতিক ঝুঁকির বিষয়টা তুলে ধরে।
(Feed Source: abplive.com)
