লেন্সকার্টকে ঘিরে ধর্মীয় প্রতীক বিতর্কের মাঝেই মুম্বইয়ের একটি স্টোরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ উঠল বিজেপি নেত্রী নাজিয়া এলাহি খান-এর বিরুদ্ধে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তাঁকে কর্মীদের কপালে তিলক পরাতে এবং স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
‘এটা হিন্দুর দেশ’! লেন্সকার্ট স্টোরে ঢুকে কর্মীদের তিলক পরিয়ে দিলেন, বিজেপি নেত্রীকে ঘিরে বিতর্ক
লেন্সকার্টকে ঘিরে ধর্মীয় প্রতীক নিয়ে বিতর্কের আবহে মুম্বইয়ের একটি স্টোরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ উঠল বিজেপি নেত্রী নাজিয়া এলাহি খান-এর বিরুদ্ধে। তাঁর সঙ্গে হিন্দু সংগঠনের কয়েকজন সদস্যও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ওই নেত্রী স্টোরে ঢুকে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং ফ্লোর ম্যানেজার মোহসিন খানকে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারে কোনও বাধা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন করছেন। অভিযোগ, এরপরই তিনি কর্মীদের কপালে তিলক পরিয়ে দেন, হাতে কালাওয়া বাঁধেন এবং স্লোগান দেন।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “এটা হিন্দু দেশ। লেন্সকার্ট ক্ষমা না চাইলে বয়কট করা হবে বা সব স্টোর বন্ধ করে দেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করতে লজ্জার কিছু নেই।
তবে এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
অন্যদিকে, এক কর্মীর দাবি, সংস্থার ট্রেনিংয়ের সময় তাঁদের জানানো হয়েছিল যে কর্মস্থলে তিলক বা কালাওয়া পরা যাবে না। এমনকি বিবাহিত মহিলা কর্মীদেরও মঙ্গলসূত্র পরতে নিষেধ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
এই ঘটনার সূত্রপাত লেন্সকার্টের একটি কথিত ড্রেস কোডকে ঘিরে। অভিযোগ ওঠে, কর্মীদের বিনি বা তিলক পরতে নিষেধ করা হলেও হিজাব পরার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
বিতর্ক বাড়তে থাকলে সংস্থার সিইও পেয়ুষ বানসাল জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করা নথিটি পুরনো এবং বর্তমান নীতির সঙ্গে মিল নেই। পরবর্তীতে সংস্থা নতুন স্টাইল গাইড প্রকাশ করে জানায়, কর্মীরা তাঁদের ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক কর্মক্ষেত্রে পরতে পারেন।
এই ঘটনার পর থেকেই লেন্সকার্টকে ঘিরে বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে এবং বিষয়টি রাজনৈতিক রংও পেয়েছে।
(Feed Source: news18.com)