ROHIT SHARMA BIG BREAKING: ‘আই অ্যাম সরি’, রোহিতের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধান নির্বাচক, সাতাশে স্বপ্নভঙ্গ তেইশের ‘সেল্ফলেস’ নেতার?

ROHIT SHARMA BIG BREAKING: ‘আই অ্যাম সরি’, রোহিতের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধান নির্বাচক, সাতাশে স্বপ্নভঙ্গ তেইশের ‘সেল্ফলেস’ নেতার?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ২০২৩ সালের পঞ্চাশ ওভারের বিশ্বকাপের (ICC World Cup 2023) স্মৃতি আজীবন অমলিন হয়ে থাকবে ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তদের মনে। কোনও ম্যাচ না হেরে রোহিত শর্মার (ROHIT SHARMA) ‘আনবিটন’ টিম ইন্ডিয়া চলে গিয়েছিল বিশ্বকাপের ফাইনালে। তবে অমদাবাদে বুক ভেঙেছিল কোটি কোটি ভারতবাসীর। অস্ট্রেলিয়ার কাছেই হেরেই রানার্স হতে হয়েছিল। তবে হৃদয় জিতেছিলেন একজনই। তিনি দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত। তাঁর ‘সেল্ফলেস’ অবতার ছিল বাইশ গজের শিরোনামে। শুধু দলের কথা ভেবেই খেলেছিলেন। নিঃস্বার্থ অধিনায়কত্বের নজির গড়েছিলেন ভক্তদের প্রিয় হিটম্যান!

এই রোহিতকে বাদ দিয়েই ২০১১ ওডিআই বিশ্বকাপের দল গড়েছিলেন নির্বাচকরা। যদিও এমএস ধোনির (MS Dhoni) টিম কাপ হাতে তুলে ইতিহাস লিখেছিল। তবে রোহতিকে দল থেকে বাদ দেওয়ায় অনুতপ্ত ছিলেন তত্‍কালীন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত (Kris Srikkanth)। ‘দ্য উইক’ পডকাস্টে এসে সেই কথাই শেয়ার করলেন ১৯৮৩-র বিশ্বকাপজয়ী তারকা। তবে ২০১১ সালের ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন ২০২০ সালে। রোহিত দলে ঢোকার যথেষ্ট যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও, শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা করেন যে নির্বাচকরা এমন একটি দল বেছে নিয়েছিলেন যেখানে অলরাউন্ডারের সংখ্যা ছিল বেশি। যা ছিল ভারতের ৮৩ বিশ্বজয়ের থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া এক কৌশল। রোহিত আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর আন্তর্জাতিক ডেবিউ করেছিলেন। ২০১১ সালের দলে সুযোগ না পাওয়ার আগে, তিনি প্রায় ৫৭ ম্যাচে সাতটি অর্ধশতক-সহ ১২০০-র বেশি রান করেছিলেন। তাঁর কেরিয়ারের শুরুর দিকের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছিল ২০০৭–০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ ব্যাংক সিরিজে যেখানে তিনি ২৩৫ রান করেছিলেন।

শ্রীকান্ত বলছে, ‘পুওর ফেলো, ও ওডিআই বিশ্বকাপ মিস করেছিল। আমার এখনও খারাপ লাগে রোহিতের কথা ভেবে। ২০২০ সালে আমি ওকে বলেছিলাম, আই অ্যাম সরি বস। এটা ইচ্ছাকৃত নয়। আসলে আমরা বেশি অল-রাউন্ডার চেয়েছিলাম। দলে ভর্তি অলরাউন্ডার ছিল। ৮৩-র বিশ্বকাপ দলের দিকে তাকালে বুঝবেন যে, সেখানে রজার বিনি ছিল একজন অলরাউন্ডার এবং মূল অলরাউন্ডার ছিলে কপিল দেব। শ্রীকান্ত, সৈয়দ কিরমানি ও সুনীল গাভাসকর ছাড়া দলের প্রায় সবাইই বোলিং করত।’

অতিরিক্ত অলরাউন্ডার খেলানোর কৌশল ভারতের ক্লিক করে গিয়েছিল। টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছিলেন কিংবদন্তি যুবরাজ সিং। ৩৬২ রানের সঙ্গেই পেয়েছিলেন ১৫ উইকেট। তখন যুবি নির্ণীত না হওয়া ক্যানসারে সঙ্গে লড়াই করছিলেন। তাসত্ত্বেও, যুবির পারফরম্যান্স একাধিক হাই-প্রেসার ম্যাচে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সুরেশ রায়না, বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, সচিন তেন্ডুলকর এবং ইউসুফ পাঠানের মতো অন্যান্য খেলোয়াড়রাও প্রয়োজনে বল হাতে অবদান রেখেছিলেন, যা দলের সর্বাত্মক গভীরতাকেই তুলে ধরে।

যুবির কথা মনে করিয়ে দিয়েই শ্রীকান্ত বলেন, ‘দিনের শেষে, টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় কে হয়েছিল? যুবরাজ সিং, ব্যাটে এবং বলে। কিছু ম্যাচে শেহওয়াগ, সচিন এবং রায়না দু-এক ওভার বল করেছিল। এমনকী ইউসুফ পাঠানও একজন ইউটিলিটি অলরাউন্ডার হিসেবে দারুণ ভূমিকা রেখেছিল। দুর্ভাগ্যবশত, অলরাউন্ডার-নির্ভর এই কৌশলের কারণেই রোহিত শর্মা দলে জায়গা করে নিতে পারেনি। ও যথেষ্টই যোগ্য ছিল, কিন্তু শেষমেশ বাদ পড়তে হয়েছিল।’রোহিতের বর্ণাঢ্য কেরিয়ারে ওডিআই বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া নিয়ে চর্চা চলবেই। তবে রোহিতের নাম ভারতের অন্যতম সফল ‘হোয়াইট-বল’ ব্যাটার এবং একজন অসাধারণ অধিনায়ক হিসেবেই থেকে যাবে।

(Feed Source: zeenews.com)