
গত বছর অক্টোবর মাসে বিষয়টি সামনে আসে। সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলা নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন অভয়। সেখানে মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর ছোট্ট মেয়ের কাছ থেকে নগ্ন ছবি চাওয়া হয় বলে জানান। (Cyber Crime)
গোটা ঘটনাকে অত্যন্ত ‘যন্ত্রণাদায়ক’ বলে উল্লেখ করেন অক্ষয়। তাঁর বক্তব্য ছিল, “আমার মেয়ে ভিডিও গেম খেলছিল। কিছু গেন আছে, যা অন্যের সঙ্গে খেলতে হয়। অর্থাৎ অচেনা কারও সঙ্গেও গেম খেলা হয়। খেলার সময় হঠাৎই মেসেজ ঢুকল যে, ‘থ্য়াঙ্ক ইউ। ভাল খেলছো তুমি’।”
কিন্তু এর পরই কথাবার্তা অন্য দিকে ঘুরে যায় বলে জানান অক্ষয়। তিনি বলেন, “প্রথমে কোথায় থাকা হয় জানতে চায় ওপারের ব্যক্তি। মেয়ে লেখে মুম্বই। এর পর মেয়ে না ছেলে জানতে চাওয়া হয়। মেয়ে বলতেই ওপার থেকে লেখা হয়, ‘নিজের একটা নগ্ন ছবি পাঠাবে আমাকে?’ আমাক মেয়ে সব বন্ধ করে দেয় সঙ্গে সঙ্গে। ভাল কথা যে নিজের মাকে গোটা ঘটনা জানায়। এভাবেই শুরু হয়। এই ধরনের ঘটনাও সাইবার অপরাধ। অনেকে ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেন। তোলাবাজি শুরু হয়। আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে আমাদের ছেলেমেয়েদের সব জেনে রাখা উচিত।”
ওই ঘটনায় মহারাষ্ট্রের মুখ্য়মন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসকেও বিশেষ আবেদন জানিয়েছিলেন অক্ষয়। সাইবার অপরাধ নিয়ে ক্লাসরুমেও যাতে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করা যায়, ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “রাস্তায় ঘটে যাওয়া অপরাধের চেয়েও বড় অপরাধ এগুলি। এই অপরাধ বন্ধ করতে হবে।”
এর পরই মহারাষ্ট্রের সাইবার অপরাধ শাখা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সাহায্য়ে অভিযুক্তের নাগাল মেলে বলে জানা গিয়েছে। ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়। অন্য কোনও শিশুর সঙ্গেও অভিযুক্ত ওই ধরনের আচরণ করেছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাইবার অপরাধ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে গোড়া থেকেই সক্রিয় অক্ষয়। তাঁর ভিডিও বার্তা মুম্বইয়ের একটি কলেজেও দেখানো হয়। অনলাইন হেনস্থা, অর্থনৈতিক অপরাধ, সাইবার বুলিইং-এর ক্ষেত্রে কী কী করণীয়, তা নিয়ে সরকারের তরফেও লাগাতার প্রচার চলছে।
(Feed Source: abplive.com)
