Iran US War: হরমুজে আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করতে মারাত্মক পদক্ষেপ, প্রশিক্ষিত ডলফিন বাহিনীকে সমুদ্রে নামাচ্ছে ইরান

Iran US War: হরমুজে আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করতে মারাত্মক পদক্ষেপ, প্রশিক্ষিত ডলফিন বাহিনীকে সমুদ্রে নামাচ্ছে ইরান

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: হরমুজ প্রণালী কার দখলে তা নিয়ে ইরান একরকম দাবি করছে, আমেরিকার দাবি অন্যরকম। ইরানের বক্তব্য, হরমুজ তাদের দখলে। কিছুদিন আগেই ভারতের একটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছি আইআরজিসি। কিন্তু সবচেয়ে বড় বিষয় হল হরমুজে মাইন পেতে এখন তা খুঁজে পাচ্ছে না। তার মধ্যেই তেলবাহী জাহাজ আটকাতে এক অন্যরকম পদক্ষেপ করেছে ইরান। সংবাদমাধ্য়মের খবর, প্রশিক্ষিত ডলফিনের পিঠ মাইন বেঁধে তা ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে সমুদ্রে। লক্ষ্য আমেরিকার জাহাজ।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো মনে করছে যে দেশটির তেল রপ্তানি বন্ধে আমেরিকার পদক্ষেপ নেওয়াটা আসলে এক ধরনের যুদ্ধ ঘোষণা।  প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরান এই চাপ মোকাবিলায় এমন কিছু কৌশল ব্যবহার করতে পারে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। এর মধ্যে অন্যতম হল, বিস্ফোরক বা মাইন বহনে সক্ষম প্রশিক্ষিত ডলফিন, অত্যাধুনিক সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ।

রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর ওই প্রণালীর মধ্য দিয়ে যাওয়া সমুদ্রতলদেশের যোগাযোগ কেবল-সহ গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান এখন আর এই অবরোধকে যুদ্ধের বিকল্প হিসেবে দেখছে না বরং একে যুদ্ধেরই একটি ভিন্ন রূপ বলে মনে করছে। বার্লিন-ভিত্তিক একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্কের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হামিদরেজা আজিজি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই অবরোধকে এখন আর যুদ্ধের বিকল্প নয়, বরং যুদ্ধেরই অন্য একটি বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।” তার মতে, ইরানের নেতৃত্ব হয়তো এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছে যে—দীর্ঘদিন ধরে এমন চরম অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করার চেয়ে পুনরায় সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া তাদের জন্য কম ক্ষতিকর হতে পারে।

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপের বিকল্পগুলো নিয়ে ট্রাম্পকে তাদের পরিকল্পনার কথা বলেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)। দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, ৪৫ মিনিটের এই ব্রিফিংটি পরিচালনা করেন সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান।

জেরুজালেম পোস্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ নতুন মোড় নিতে পারে চিন্তা করে যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলে প্রায় ৬,৫০০ টন গোলাবারুদ এবং সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি সমন্বিত লজিস্টিক অপারেশনের মাধ্যমে দুটি কার্গো জাহাজ এবং বেশ কয়েকটি বিমানে করে এই চালানটি এসে পৌঁছেছে। জাহাজ দুটি আশদোদ এবং হাইফা বন্দরে ভিড়েছে।

এই চালানের মধ্যে ছিল হাজার হাজার আকাশ ও স্থলপথের গোলাবারুদ, সামরিক ট্রাক, বিশেষ হালকা যুদ্ধযান (JLTV) এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম। পরবর্তীতে শত শত ট্রাকের মাধ্যমে এসব সরঞ্জাম দেশটির বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

(Feed Source: zeenews.com)