জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বাংলায় এবার বিজেপি। রাজ্যবাসীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘ভরসা’ দিলেন, ‘বাংলার উন্নত ভবিষ্যতের জন্য বিজেপি দিনরাত এক করে দেবে। মহিলারা সুরক্ষা পাবেন। যুবকরা কাজ পাবেন। বাইরে যাওয়া বন্ধ হবে’। সঙ্গে ঘোষণা, ‘মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হবে। সেই সঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে’।
স্লোগানে সোগ্লানে তখন সরগরম চারপাশ। পরনে ধুতি, পাঞ্জাবি। বাঙালি সাজে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে পৌঁছন মোদী। তিনি বলেন, ‘ডঃ মুখার্জি পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অঙ্গ বানিয়ে রাখতে এক লড়াই লড়েছিলেন। তিনি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন কয়েক দশক ধরে সেই স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষা করা হচ্ছিল। আজ ৪ মে বাংলার মানুষ বিজেপিতে সেই অধিকার দিয়েছে। আজ থেকে বাংলায় এক নতুন অধ্যায় জুড়ে গেল। বাংলা ভয়মুক্ত হল। উন্নয়নের ভারসায় যুক্ত হল’।
মোদীর কথায়, ‘এই জয়ের জন্য বিজেপির কত কর্মকর্তা প্রাণ দিয়েছেন। বিজেপির অনেক মহিলা অত্যাচার সহ্য করেছেন। আজ বাংলায় ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের কৃতিত্ব সেই কর্মকর্তাদের পরিবারকে সমর্পণ করছি। ৪মে-র এই সন্ধ্যা বিদায় নিচ্ছে, কিন্তু বাংলার পূণ্যভূমিতে এক নতুন সূর্যোদয় হচ্ছে। এমন এক প্রভাত যার অপেক্ষায় ছিল অনেক প্রজন্ম’। বলেন, ‘বিজেপি যত আসন জিতেছে, তা কোনও সংখ্যা নয়। তা আসলে তুষ্টিকরণ ও হিংসার রাজনীতিকে শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার হুঙ্কার’।
মোদীর আরও বক্তব্য, ‘বাংলার এই নির্বাচন আর একটা কারণে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার নির্বাচনের সময় আগে খবর আসত হিংসা হয় এবং নির্দোষ মানুষের মৃত্যু। এবার গোটা দেশ এক নতুন খবর শুনেছে। পশ্চিমবঙ্গের শান্তিপূর্ণ ভোটদান হয়েছে। প্রথমবার এমন হয়েছে যে, ভোটের বলি কাউকে হতে হয়নি। গণতন্ত্রের এই মহোৎসবের বন্দুকের আওয়াজ নয়, জনতা জনার্দনের আওয়াজ গর্জে উঠেছে’। সঙ্গে বার্তা,’হিংসার এই চক্রকে চিরকালের মত শেষ করে দিই। কে কাকে ভোট দিয়েছেন কে কাকে দেননি তার ঊর্ধে উঠে বাংলার সেবার জন্য কাজ করুন’।
(Feed Source: zeenews.com)
