
এদিন বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই পরপর ধাক্কা খায় পঞ্জাব কিংস। নতুন বলে প্যাট কামিন্স, নীতীশ কুমার রেড্ডি ও ঈশান মালিঙ্গা পরপর ধাক্কা দেন। সাজঘরে ফেরেন প্রিয়াংশ আর্য, প্রভসিমরন সিংহ ও শ্রেয়স আইয়ার। ২৩ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে পঞ্জাব কিংস। মার্কাস স্টোইনিস ও কুপার কুনোলি, দুই অজ়ি মিলে পঞ্জাবে ইনিংস পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন। পাওয়ার প্লেতে ৫৭ রান উঠে। তবে পাওয়ার প্লে শেষেই ঠিক পরের ওভারে ২৮ রানে স্টোইনিসকে সাজঘরে ফেরান শিবাঙ্গ কুমার। সুয়াশ শেগড়েও খানিকটা চেষ্টা করেন। তবে তিনিও ২৫ রানে কামিন্সের শিকার হন। পরের ওভারেই ফেরেন শশাঙ্ক সিংহও।
১১৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে কার্যত ধুঁকছিল পঞ্জাব কিংস। তবে কনোলি হাল ছাড়েননি। মার্কো জানসেনকে নিয়ে লড়াই চালান। ৩৪ বলে অর্ধশতরান পূরণ করেন তরুণ অজ়ি। অপরপ্রান্ত থেকে পরপর উইকেট পড়লেও, কনোলি একপ্রান্ত ধরে রাখেন। দেখতে দেখতে তিনি ৫৭ বলে শতরানও পূরণ করে ফেলেন। তবে শুরুতেই পরপর ধাক্কা খাওয়ায় ম্যাচে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছিল পঞ্জাব কিংস। সেখান থেকে আর ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষমেশ সাত উইকেটে ২০২ রান তোলে পঞ্জাব কিংস। ৩৩ রানে ম্যাচ জিতে নিয়ে লিগ তালিকার শীর্ষে পৌঁছে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ট্র্যাভিষেকের ঝোড়ো ওপেনিংয়ের পর ঈশান কিষাণ (Ishan Kishan) ও হেনরিখ ক্লাসেন (Heinrich Klaasen) দুরন্ত অর্ধশতরান হাঁকালেন। আর এই চার ব্যাটারের ইনিংসে ভর করেই ২০ ওভারে চার উইকেটের বিনিময়ে ২৩৫ রান তুলল নবাবের শহরের ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি। ক্লাসেন অপরাজিত ৬৯ ও ঈশান কিষাণ ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন। দুই ওপেনার হেড ও অভিষেক যথাক্রমে ৩৮ ও ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন।
(Feed Source: abplive.com)
