Sunil Gavaskar : ‘ওদের কথা এবার ভাবো…!’ সৌরভের কাছে আর্জি সুনীল গাভাসকরের, বহু বছর পর নিয়ম বদলের দাবি

Sunil Gavaskar : ‘ওদের কথা এবার ভাবো…!’ সৌরভের কাছে আর্জি সুনীল গাভাসকরের, বহু বছর পর নিয়ম বদলের দাবি

ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকর এই পরিবর্তনে খুব একটা সন্তুষ্ট নন। নিজে ব্যাটিং কিংবদন্তি হওয়া সত্ত্বেও তিনি মনে করেন, খেলায় আবার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার জন্য কিছু নিয়ম পরিবর্তন করা দরকার।

শুরুতেই তিনি নো-বলের নিয়ম নতুনভাবে লেখার দাবি তুলেছেন। সানি গাভাসকর বলেছেন, “ব্যাটারের মাথার সামান্য ওপর দিয়ে গেলেই বাউন্সারকে ‘ওয়াইড’ ডাকা হচ্ছে। এটা যেন এক হাতে বেঁধে ফাস্ট বোলারকে বল করতে বলা হচ্ছে। বোলারদেরও একটু ছাড় দেওয়া উচিত। এখন বাউন্ডারি ছোট করা হয়েছে, অথচ মাঠে জায়গা থাকা সত্ত্বেও তা পেছনে সরানো হচ্ছে না। ফলে বোলাররা আগেই চাপে আছে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি নিয়মে সামান্য বদল এনে ব্যাটারের মাথার ওপর প্রায় এক ফুট পর্যন্ত—অর্থাৎ ব্যাটের হাতলের সমান উচ্চতা পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়, তাহলে ফাস্ট বোলাররা কিছুটা স্বস্তি পাবে এবং আরও আক্রমণাত্মকভাবে বোলিং করতে পারবে।”

গাভাস্কার স্মরণ করিয়ে দেন, এক সময় সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাউন্সার পুরোপুরি নিষিদ্ধ ছিল। তখন টেস্ট ক্রিকেটে নয় বা দশ নম্বরে ব্যাট করা খেলোয়াড়দেরও তিন বা চার নম্বরে নামানো হতো ‘পিঞ্চ হিটার’ হিসেবে। তারা নিশ্চিন্তে বড় বড় শট খেলত, কারণ মাথার দিকে কোনও বাউন্সার আসত না।

তিনি বলেন, “ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস, কার্টলি অ্যামব্রোস, কোর্টনি ওয়ালশ, অ্যালান ডোনাল্ড, জাভাগাল শ্রীনাথ, জাহির খানদের মতো বোলারদেরও সহজে মারছিল ব্যাটাররা। পরে আমি আইসিসি ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ার পর অন্য সদস্যদের সঙ্গে মিলে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আবার বাউন্সার ফিরিয়ে আনি, যদিও প্রতি ওভারে একজন ব্যাটারের জন্য একটি করে।”

গাভাসকর প্রশ্ন তোলেন, “ব্যাটারদের তো কোনও শট খেলতে বাধা দেওয়া হয় না। তাহলে বোলারদের কেন তাদের সব রকম কৌশল ব্যবহার করতে বাধা দেওয়া হবে?”

শেষে তিনি বর্তমান আইসিসি ক্রিকেট কমিটির প্রধান সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, “পরের আইসিসি ক্রিকেট কমিটির বৈঠকে বোলারদের কথাও একটু ভাবুন। ভালো ব্যাটার ব্যাটারের মাথার একটু ওপরের বাউন্সারও খেলতে পারবে। এতে ব্যাট ও বলের লড়াই কিছুটা হলেও সমান হবে।”

(Feed Source: news18.com)