বলিপুর’ থেকে আজকের বোলপুর! বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার অনেক আগেই বোলপুরের নাম ওঠে ইতিহাসের পাতায়, অজানা গল্প জানুন

বলিপুর’ থেকে আজকের বোলপুর! বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার অনেক আগেই বোলপুরের নাম ওঠে ইতিহাসের পাতায়, অজানা গল্প জানুন

রাঙামাটির জেলার রাঙা মাটির শহর বোলপুর শান্তিনিকেতন। মূলত কবিগুরুর জন্য দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতে পরিচিত বিশ্বকবির প্রাণের শহর বোলপুর শান্তিনিকেতন।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনেরও নানা স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই শহরের সঙ্গে। বঙ্গভঙ্গের সময় বয়কট ও স্বদেশির পক্ষে প্রচার চালিয়ে একে একে জেলার কংগ্রেস নেতৃত্ব গ্রেফতারও হয়েছেন। তবে জানা যায় সময়টা ছিল তখন ১৯১৫ সাল। ঠিক সেই সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মহাত্মা গান্ধী প্রথম বোলপুরে পা রাখেন। তাতেই জোয়ার লাগে সেই আন্দোলন। ছাত্র আন্দোলন থেকেই দেশ জুড়ে অসহযোগ আন্দোলনের সূচনা করেন তিনি।

রাঙা মাটির এই প্রান্তরকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন একসময় মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেইসময় রায়পুরের সিংহবাড়ির কাছ থেকে কিছু টাকার বিনিময়ে জমি কিনে সেই জমিতে ব্রাহ্ম উপাসনার জন্য শান্তিনিকেতন গৃহ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই বোলপুর শহরকে এক নতুন রূপ দিয়েছিলেন তিনি। আর তাকেই পূর্ণাঙ্গ অবয়ব দেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বলিপুর’ থেকে আজকের বোলপুর! বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার অনেক আগেই বোলপুরের নাম ওঠে ইতিহাসের পাতায়, অজানা গল্প জানুন

রাঙামাটির জেলার রাঙা মাটির শহর বোলপুর শান্তিনিকেতন। মূলত কবিগুরুর জন্য দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতে পরিচিত বিশ্বকবির প্রাণের শহর বোলপুর শান্তিনিকেতন। লোককথা, পুরাণ, অনুষঙ্গ আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই তিন নিয়েই বোলপুরের ইতিহাস। তবে রাজ্যের একমাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বভারতীর অবস্থান, আদালত, অফিস, স্কুল, কলেজে মোড়া জনবহুল এই বোলপুর শহর আজ থেকে বহু বছর আগেও ধুধু প্রান্তর ছিল।

এরপর ধীরে ধীরে গ্রাম থেকে গঞ্জ থেকে শহরের রূপ নিতে থাকে বোলপুর শান্তিনিকেতন। জানা যায়, বীরভূম জেলার প্রথম রেল স্টেশন নির্মিত হয় এখানেই, আর তাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠতে থাকে জনবসতি, অফিস, কাছারি ও অন্যান্য পরিষেবা। আর এই উন্নয়নের পথে প্রবল গতির সঞ্চার করে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।

বোলপুর শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার অনেক আগেই বোলপুরের নাম উঠেছে ইতিহাসের পাতায়। কবিগুরুর এই বোলপুরের কথা উল্লেখ রয়েছে প্রাচীন পুরাণে। পুরাণ মতে, রাজা সুরথ অর্থাৎ যিনি কিনা মর্ত্যে প্রথম দুর্গাপুজোর প্রচলন ঘটান, তাঁর রাজ্যের রাজধানী ছিল বোলপুর সংলগ্ন সুপুর এলাকায়। সেখানেই কোনও এক বছর বলি দেওয়া হয় দুর্গাপুজোর সন্ধিক্ষণে।

(Feed Source: news18.com)