বিয়ে করতে চাইলে যেতে হবে ‘মেলায়’ ! হাঁকা হয় দর, এই দেশের নিয়ম জানেন ?

বিয়ে করতে চাইলে যেতে হবে ‘মেলায়’ ! হাঁকা হয় দর, এই দেশের নিয়ম জানেন ?

বিয়ে করতে চাইলে যেতে হবে ‘মেলায়’ ! হাঁকা হয় দর, এই দেশের নিয়ম জানেন ?

বর্তমান সময়ে ডেটিং অ্যাপ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বিয়ে নিয়ে কোনও চিন্তা করছেন না অনেকেই। অ্যাপের সাহায্যে প্রথমে পরিচয়, তারপর বিয়ে। বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশের মানুষ এই পদ্ধতি মেনে জীবনসঙ্গীর খোঁজে এগিয়ে চলেছেন। কিন্তু চিন একটি মাত্র শহর যেখানে এখনও জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়ার জন্য এক অনন্য ও ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি ব্যবহার করছে। ভাবছেন কী সেই পদ্ধতি? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

সাংহাইতে প্রতি সপ্তাহের শেষে একটি অনন্য বিবাহ মেলা বসে। তবে তরুণ-তরুণীরা এই বিখ্যাত বিবাহ মেলায় নিজে থেকে আসেন না। বরং, তাদের বাবা-মা বা ঠাকুরদা-ঠাকুমা তাদের জন্য সঙ্গী খুঁজতে আসেন এবং সঙ্গে করে তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে আসেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি, বাকি তথ্যের মধ্যে বয়স, উচ্চতা, পেশা, বেতন, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ব্যক্তিটির বাড়ি বা গাড়ি আছে কিনা, এই সমস্ত বিষয় দেখা হয়। তারপর বিয়ের জন্য চিন্তাভাবনা করেন পরিবারের লোকেরা।

এই সমস্ত তথ্য ও ছেলে-মেয়ের প্রোফাইলগুলো খুঁটিয়ে দেখার পর মনের মতো পাত্র বা পাত্রী খুঁজে পেলে সঙ্গে সঙ্গে দর কষাকষি শুরু হয়ে যায়।

চীনের তরুণ-তরুণীরা তাদের কর্মজীবন নিয়ে অধিকাংশ সময় ব্যয় করেন। এ কারণেই তাদের জীবন সঙ্গী খুঁজে পেতে সাহায্য করার জন্য বাবা-মায়েরা প্রায়শই এগিয়ে আসেন।

সাংহাইয়ের হুকোউ শহরে স্থায়ী বাসিন্দার সরকারি মর্যাদা, উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও ঘর-বাড়ি পাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। যদিও সাংহাই চীনের অন্যতম একটি আধুনিক শহর। এই বিবাহ প্রথাটি প্রমাণ করে যে, বিয়ের সিদ্ধান্তে ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক সিদ্ধান্ত তাদের সমাজে এখনও প্রচলিত।

(Feed Source: abplive.com)