
একটা সময়ে ‘ব্যান’ করা হয়েছিল তাঁকেও, টলিউড নিয়ে আশাবাদী রুদ্রনীল
নিজেই বিজেপির হয়ে ভোটে লড়েছিলেন রুদ্রনীল। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির কর্মী তিনি, এবার শিবপুর থেকে টিকিট পেয়েছিলেন তিনি। ভোটে লড়ে জয়ী ও হয়েছিলেন। এখনও পর্যন্ত কোনও পদ পাননি রুদ্রনীল, তবে টলিউড নিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন তিনি। এতদিন ধরে টলিউডে কাজ করতে গিয়ে যে সমস্ত সমস্যার শিকার হয়েছেন, তা আর ভবিষ্যতে হবে না বলেই মনে করছেন তিনি। এদিন এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুদ্রনীল বলেন, ‘কারা যোগ্য? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নানাবিধ ভুল ও অন্যায় দেখে যাঁরা চুপ থাকবেন, তাঁরাই কাজ করার যোগ্য। ৮০ শতাংশের ওপর কাজ হারিয়েছেন টেকনিশিয়ানরা, আর্টিস্টরা, প্রযোজক, পরিচালক এবং আনুষাঙ্গিক কাজে প্রচুর মানুষ যুক্ত থাকেন, তাঁরা। কাউকে ঘোষিত ব্যান, কাউকে অঘোষিত ব্যান। আমাকে ব্যান করে দেওয়া হয়েছিল। এবার এই অন্ধকারটা কেটেছে। কাজ যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে।’
টলিউডের ‘ব্যান কালচার’ নিয়ে কী বলছেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়?
স্টুডিও পাড়ায় ‘ব্যান কালচার’, শিল্পীর ওপর ‘রাজনীতির শাসন’, চমকানি-ধমকানি-চোখ রাঙানি.. তৃণমূল আমলে টালিগঞ্জের সটুডিওপাড়ার অন্দরমহল থেকে বারবার উঠে এসেছে এমনই মারাত্মক সব অভিযোগ। টলিউডের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বদলানোর ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন পাপিয়া অধিকারী। তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি নতুন করে টলিউডকে সাজাতে চান। আর এবার, এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলছেন, ‘যদি আপনি তৃণমূল না হন, তাহলে আপনার পেটে ভাত নেই, আপনার কাজ নেই। কাজ দেওয়ার সময় চিহ্নিতকরণ করা হত। আমার যে থিয়েটার দল, আমরা সরকারি হল পেতাম না। কেন হবে এরকম? ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ্বাস ব্রাদার্স, তাঁরা ঠিক করবে, কে ক্যামেরা চালাবে, কে চালাবে না?’
(Feed Source: abplive.com)
