টলিউডে ‘দাদাগিরি’ শেষ? বাড়বে কাজ করার স্বাধীনতা? স্পষ্ট উত্তর দিলেন শমীক ভট্টাচার্য

টলিউডে ‘দাদাগিরি’ শেষ? বাড়বে কাজ করার স্বাধীনতা? স্পষ্ট উত্তর দিলেন শমীক ভট্টাচার্য
কলকাতা: পাপিয়া অধিকারী (Papiya Adhikari) থেকে শুরু করে, রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh), শর্বরী মুখোপাধ্যায় (Sarbori Mukherjee).. প্রত্যেকেই বারে বারে কথা বলেছেন টলিউডের রাজনীতি নিয়ে। বারে বারে তুলে ধরেছেন, কীভাবে টলিউডের একেবারে গভীরে পৌঁছে গিয়েছে রাজনীতির শিকড়! শাসকদলের সমর্থন না করলেই হাত থেকে চলে যেত কাজ, এই সমস্ত অভিযোগ বারে বারেই শোনা গিয়েছে। আর নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরে, টলিউড থেকে ‘ব্যান কালচার’-কে উপড়ে ফেলার কথা বলেছেন বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব। টলিউডের খোলনলচে বদলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন পাপিয়া অধিকারী। আর এবার, টলিউডের রাজনীতি, কাজ করার স্বাধীনতা নিয়ে কথা বললেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

টলিউডে রাজের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য

সুমন দে: এই রাজ্যে আমরা কখনও ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’ দেখিইনি। এতে গণতান্ত্রিক পরিসরটা বাড়বে তো? ফোন ট্যাপ হবে না তো? গত ১৫ বছর তীব্র পুলিশরাজ, FIR রাজ… সেটা হবে না তো? এখন কেন্দ্র আর রাজ্য ২ জায়গাতেই এক সরকার। ফলে গণতান্ত্রিক পরিসরের ক্ষেত্রে যদি চ্যালেঞ্জ আসে, সেই চ্যালেঞ্জ আরও মারাত্মক হতে পারে।

শমীক ভট্টাচার্য: এটার কোনও সম্ভাবনা নেই। গণতান্ত্রিক পরিসর তো আরও বাড়ল। আমি একজন থিয়েটারপ্রেমী। যাঁরা এখানে থিয়েটার করেন, অধিকাংশরাই তো মানসিকভাবে বিজেপি-বিরোধী। প্রায় ১ বছর হতে চলল শেষ থিয়েটার দেখেছি.. ভুলেই গিয়েছি। এই ১৬ বা ১৭ তারিখের মধ্যে একদিন থিয়েটার দেখতে যাব। যাঁদের থিয়েটার দেখতে যাব, তাঁরা কেউ বিজেপি নন। প্রত্যেকের কাজের পরিসর থাকবে। যাঁরা ছোট ছোট পরিচালক, যাঁরা ২০, ২৫, ৩০ লক্ষ টাকা জোগাড় করে একটা সিনেমা তৈরি করার স্বপ্ন থাকে, তাঁরা করবেন। যেভাবে দখলদারি চলেছিল, সেটার থেকে মুক্তি তাঁদের দিতে হবে। তাঁদের সেই পরিসরটা দিতে হবে।

সুমন দে: টালিগঞ্জের ‘দাদাগিরি’ খতম হবে?

শমীক ভট্টাচার্য: একদম শেষ। ওটা চলতে দেব না। আপনি যদি বলেন, পুরো একচেটিয়া বিজেপির দখলদারি চলবে, আকাদেমিতে কে কবে স্লট পাবে.. চলবে না। নন্দনে কার ছবি রিলিজ করবে, কার ছবি রিলিজ করবে না..একটা পার্টি ঠিক করে দেবে.. এটা নয়। প্রতিভার মর্যাদা দিতে হবে। মুক্তমনস্ক মানুষদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। সমাজ আর আমাদের সমালোচকদের ও এটা চিন্তা করা উচিত, অহেতুক রাজনৈতিক অস্পৃশ্যতা থেকে দূরে আসুন। এতে কোনো লাভ হয় না।

(Feed Source: abplive.com)