
Tutu Bose Death: তিন দশক ধরে ক্রীড়াজগতে সক্রিয় থাকা স্বপন সাধন বসু, যিনি ‘টুটু বসু’ নামেই বেশি পরিচিত, প্রয়াত হয়েছেন। মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি মঙ্গলবার গভীর রাতে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃতু হয়৷
কলকাতা: মোহনবাগান রত্ন টুটু বসু৷ মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যুতে ময়দানের ফুটবল প্রশাসনে নেমে এসেছে এক বড়সড় শূন্যতা৷ দীর্ঘ ৩৫ বছরের সক্রিয়ভাবে ফুটবল প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন টুটু বসু৷ তাঁর সময়ে মোহনবাগান জিতেছে আইলিগ, ফেডারেশন কাপের মতো একের পর এক ভারত সেরা শিরোপা৷ পরবর্তী পর্যায়ে আইএসএলের ফ্রাঞ্চাইজি হিসেবে যখন খেলেছে মোহনবাগান সুপার জায়ন্টস তখনও খেতাব জয়ের কৃতিত্ব এসেছে, বাগান প্রশাসনে তখনও তাঁর আমল৷
একনজরে টুটু বসুর ময়দানের কর্মকাণ্ড- ১৯৯০ মোহনবাগানের কার্যকারী সমিতির সদস্য, ১৯৯১ মোহনবাগান সচিব, ১৯৯৫ সচিব পদে ইস্তফা
১৯৯৬ থেকে ২০০৫ মোহনবাগান সভাপতি , ২০০৫ স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবিতে হাইকোর্টে সওয়াল করেন স্বপনসাধন বসুই৷
২০১২ মোহনবাগান ক্লাব নির্বাসিত হওয়ায় জরিমানা হিসেবে দু’কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ নিজের থেকেই দেন এতটাই প্রাণের থেকে প্রিয় ছিল তাঁর কাছে মোহনবাগান ক্লাব৷ ২০১৮ বাল্যবন্ধু মোহনবাগানের আরেক কিংবদন্তী প্রশাসক রঞ্জন বিদ্যার সঙ্গে বিচ্ছেদ।
২০১৮ ভোটের আগে অঞ্জন মিত্রের মনোনয়ন প্রত্যাহার। ফের সচিব হন টুটু বসু। ২০১৮ সচিব পদ ছেড়ে সভাপতি হন৷ ২০২২ নির্বাচনের পর ফের সভাপতি৷ বারেবারে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অলিন্দে ফিরে এসেছেন৷
২০২৫ ক্লাবে নির্বাচনের আগে সভাপতি পদে ইস্তফা। ২০২৫- ২৯ জুলাই, মোহনবাগানের সর্বোচ্চ সম্মান মোহনবাগান রত্ন পান৷ এই খেতাব তিনি শুরু করেছিলেন তিনি নিজেই সেই সম্মান পেয়ে যান৷ মহান এই ফুটবল প্রশাসকের জীবনাবসান হল ২০২৬- ১৯মে৷ তাঁর প্রয়ানে ময়দানে একটা যুগের অবসান হল৷
(Feed Source: news18.com)
