Kaarina Kaisar Death: জ্বর থেকে লিভারে ভয়ংকর সংক্রমণ, অকালেই চলে গেলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর-অভিনেত্রী কারিনা

Kaarina Kaisar Death: জ্বর থেকে লিভারে ভয়ংকর সংক্রমণ, অকালেই চলে গেলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর-অভিনেত্রী কারিনা

Kaarina Kaisar Passes Away: অকালেই নিভে গেল এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। চিকিৎসাধীন অবস্থায় চেন্নাইয়ের সিএমসি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। লিভারের গুরুতর সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তাঁর এই আকস্মিক ও অকাল প্রয়াণে বিনোদন জগতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিনোদন জগতে ফের অকালমৃত্যুর কালো ছায়া। প্রয়াত বাংলাদেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। শুক্রবার রাতে চেন্নাইয়ের ভেলোরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিগত কয়েকদিন ধরেই লিভারের গুরুতর সমস্যায় ভুগছিলেন কারিনা। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশের অনুরাগী মহল ও বিনোদন দুনিয়া।

পারিবারিক সূত্রের খবর, কয়েক দিন আগে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন কারিনা। কিন্তু পরবর্তীতে তাঁর শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ (ইনফেকশন) ধরা পড়ে। চিকিৎসকেরা জানান, হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং ‘ই’-র যৌথ সংক্রমণে তাঁর লিভারের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় প্রথমে তাঁকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

পরবর্তীকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে চেন্নাইয়ে নিয়ে আসা হয়। ভেলোরের বিখ্যাত খ্রিস্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং সমান্তরালভাবে লিভার প্রতিস্থাপনের (লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট) প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে শুক্রবার রাতে চিরবিদায় নেন তরুণী শিল্পী।

শনিবার গভীর রাতে কারিনার বাবা কায়সার হামিদ সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে মেয়ের সঙ্গে একটি হাসিখুশি ছবি পোস্ট করে আবেগঘন বার্তায় তিনি লেখেন, “অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা কায়সার একটু আগে চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে।” শোকবিহ্বল বাবা আরও যোগ করেন, “আমার মেয়ের কোনও ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে, দয়া করে ওকে ক্ষমা করে দেবেন। এই কঠিন সময়ে যাঁরা আমাদের পাশে ছিলেন, প্রার্থনা করেছেন, তাঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কারিনা কায়সারের জনপ্রিয়তা ছিল আকাশছোঁয়া। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক নাটকে অভিনয় এবং চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন কারিনা। এক তরুণীর এমন আকস্মিক চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তাঁর সহকর্মী ও অনুরাগীরা। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে বইছে শোকের আবহ।

(Feed Source: zeenews.com)