
তৃণমূল সাংসদের নাটক দেখতে আকাদেমিতে শমীক
এদিন নাটক দেখতে এসে শমীক ভট্টাচার্য বললেন, ‘একজন শিল্পীর শিল্পকে খুন করার অধিকার কোনও রাজনৈতিক ব্য়ক্তিত্বের নেই, কোনও রাজনৈতিক সত্ত্বার নেই। মতপ্রকাশের অধিকার ভারতের সংবিধান তাঁকে দিয়েছেন। নাটক নাটকের মতো চলবে। সরকারের সমালোচনা হবে। সরকারের বিচ্যুতিকে তুলে ধরে কেউ যদি নাটক লিখতে চান, কেউ যদি কবিতা লিখতে চান, সেই প্রবন্ধ লিখতে চান… আমার মনে হয়, যদি সেটাকে কেউ বাধা দেয়, তাহলে সেইদিনই এই দেশের, এই মাটির, এই সংস্কৃতির মৃত্যু নেমে আসবে।’
গণতান্ত্রিক পরিসর নিয়ে কী মত শমীক ভট্টাচার্যের?
এবিপি আনন্দে এসে, সুমন দে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টলিউডের রাজনীতি, গণতান্ত্রিক পরিসর নিয়ে কথা বলেছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেছিলেন, ‘গণতান্ত্রিক পরিসর তো আরও বাড়ল। আমি একজন থিয়েটারপ্রেমী। যাঁরা এখানে থিয়েটার করেন, অধিকাংশরাই তো মানসিকভাবে বিজেপি-বিরোধী। প্রায় ১ বছর হতে চলল শেষ থিয়েটার দেখেছি.. ভুলেই গিয়েছি। এই ১৬ বা ১৭ তারিখের মধ্যে একদিন থিয়েটার দেখতে যাব। যাঁদের থিয়েটার দেখতে যাব, তাঁরা কেউ বিজেপি নন। প্রত্যেকের কাজের পরিসর থাকবে। যাঁরা ছোট ছোট পরিচালক, যাঁরা ২০, ২৫, ৩০ লক্ষ টাকা জোগাড় করে একটা সিনেমা তৈরি করার স্বপ্ন থাকে, তাঁরা করবেন। যেভাবে দখলদারি চলেছিল, সেটার থেকে মুক্তি তাঁদের দিতে হবে। তাঁদের সেই পরিসরটা দিতে হবে।’
টলিউডের ‘দাদাগিরি’ প্রসঙ্গে শমীক
টলিউডের ‘দাদাগিরি’ কী তবে শেষ? শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘ একদম শেষ। ওটা চলতে দেব না। আপনি যদি বলেন, পুরো একচেটিয়া বিজেপির দখলদারি চলবে, আকাদেমিতে কে কবে স্লট পাবে.. চলবে না। নন্দনে কার ছবি রিলিজ করবে, কার ছবি রিলিজ করবে না..একটা পার্টি ঠিক করে দেবে.. এটা নয়। প্রতিভার মর্যাদা দিতে হবে। মুক্তমনস্ক মানুষদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। সমাজ আর আমাদের সমালোচকদের ও এটা চিন্তা করা উচিত, অহেতুক রাজনৈতিক অস্পৃশ্যতা থেকে দূরে আসুন। এতে কোনো লাভ হয় না।’
[(Feed Source: abplive.com)
