
গুজরাতের মোরবি থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই পরিবার আদতে গুজরাতের সুরেন্দ্রনগরের বাসিন্দা। জীবন-জীবিকার খোঁজে মাস ছয়েক আগে মোরবি চলে এসেছিল। মাসে ২০০০ টাকার বিনিময়ে একটি বাড়িতে ঘর ভাড়ায় নিয়েছিল। কিন্তু সেই ভাড়া মেটাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাদের। চাপর মাস ধরে ভাড়া মেটাতে পারেনি। (Gujarat News)
এমতাবস্থায় তাগাদা দিতে থাকে বাড়িওয়ালা। শেষ পর্যন্ত বাড়িওয়ালার সঙ্গে ‘ডিল’ হয় ওই ব্যক্তির। নিজের স্ত্রী এবং ১৩ বছর বয়সি নাবালক মেয়ের উপর বাড়িওয়ালাকে লালসা মেটানোর অনুমতি দেয় সে। ঠিক হয়, বাড়িভাড়া আর মেটাতে হবে না। লালসা মিটিয়ে তা উসুল করে নেবে বাড়িওয়ালা। এর পরই শুরু হয় অত্যাচার। দফায় দফায় ভাড়াটের স্ত্রী এবং নাবালক কন্যাকে ধর্ষণ করে বাড়িওয়ালা।
নির্যাতনের শিকার ওই মহিলার মা কোনও ভাবে জানতে পারেন বিষয়টি। মোরবি থানায় তিনিই অভিযোগ দায়ের করেন। এর পর একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলা দায়ের করা হয় POCSO ধারাতেও। ওই ব্যক্তি এবং বাড়িওয়ালাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডেপুটি সুপার জেএম লাল বলেন, “নাবালক মেয়েটির বাবা এবং বাড়িওয়ালা মিলে এই অত্যাচারে আয়োজন করে।” এই ঘটনায় তৃতীয় এক ব্যক্তিরও খোঁজ চলছে। সেও অপরাধে যুক্ত ছিল বলে খবর।
ওই বাড়ির বাকি সদস্যদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হয়েছে। অপরাধে তাদের সম্মতি ছিল বলেও মনে করা হচ্ছে। তৃতীয় যে ব্যক্তির খোঁজ চলছে, সে বাড়িওয়ালার আত্মীয় বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। সে নাবালক মেয়েটিকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। নির্যাতনের শিকার মা-মেয়ের ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। অপরাধীদের কড়া শাস্তি দিতে হবে বলে দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।
(Feed Source: abplive.com)
