
লুধিয়ানার নীলো খালে একটি মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তা শনাক্ত করেন। মরদেহটি বর্তমানে সামরালার সিভিল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ইন্দর নিখোঁজ থাকায় গায়কের ভাই যতিন্দর সিং পুলিশ-এর কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করে, যেখানে ২ জনের নামও বলেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ১৫ই মে মোগার বাসিন্দা সুখবিন্দর সিং ওরফে সুখা এবং তার সহযোগী করমজিৎ সিংয়ের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেছিল। তবে, গায়িকার পরিবারের অভিযোগ, FIR-এর পরও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
যতিন্দর সিং জানান, ‘তাঁর বোন ১৩ই মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ফোর্ড ফিগো গাড়িতে করে বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু গভীর রাত হয়ে গেলেও আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবার তাঁর খোঁজ শুরু করে এবং পরে জানতে পারে যে মোগা জেলার ভালুর গ্রামের সুখবিন্দর সিংয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল। গায়িকার ভাই যতিন্দর অভিযোগ করেন যে, সুখবিন্দর সিং তাঁর বোনকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি দাবি করেন যে, ক্ষোভের বশে অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা তাকে বন্দুক দেখিয়ে অপহরণ করে এবং পরে হত্যা করে।’ গায়িকার পরিবার আরও অভিযোগ করেছে যে, ‘হত্যাকাণ্ডের পর সুখবিন্দর সিং কানাডায় পালিয়ে যান। তাদের মতে, হত্যা করার জন্যই তিনি কানাডা থেকে পাঞ্জাবে এসেছিলেন।’
জামালপুর থানার এসএইচও (SHO) বলবীর সিং জানান, সকাল ১১টার দিকে নীলু খালে একটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ প্রথমে খবর পায়। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে শনাক্তকরণের জন্য পরিবারকে ডেকে পাঠায়। পরে মৃতদেহটি ইন্দর কৌরের বলে নিশ্চিত করে তার পরিবারের লোকেরা। তবে তদন্ত চলাকালীন পুলিশ জানতে পারে যে, গায়ক সুখবিন্দর সিং নামে এক ব্যক্তিকে চিনতেন, যিনি মোগার বাসিন্দা এবং বর্তমানে কানাডায় থাকেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ ও জোরপূর্বক বিয়ের চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত সব দিক খতিয়ে দেখছে।
(Feed Source: abplive.com)
