Knowledge Story on Train EMU DEMU MEMU: লোকাল ট্রেনের নামের পিছনে কী রহস্য! EMU, DEMU ও MEMU-র ফারাক জানলে অবাক হবেন

Knowledge Story on Train EMU DEMU MEMU: লোকাল ট্রেনের নামের পিছনে কী রহস্য! EMU, DEMU ও MEMU-র ফারাক জানলে অবাক হবেন

Knowledge Story: DEMU, EMU না MEMU? ভারতীয় রেলের এই তিন ট্রেনের আসল পার্থক্য জানেন? অনেকেই কিন্তু কিছুতেই বলতে পারছেন না, আর আপনি?

ভারতীয় রেলওয়ের অসংখ্য ট্রেনে রোজ লক্ষ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেন। এই বিপুলসংখ্যক যাত্রীরা ট্রেনে চড়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা গেলেও রেলের অনেক কিছু তাঁদের জানা নেই।

ঠিক সেই রকমই অধিকাংশ যাত্রীরাই জানেন না ট্রেনের DEMU, EMU ও MEMU-র ফারাক। কিছুদিন আগেই ট্রেনের আপ ও ডাউন-এর ফারাক জানিয়েছিলাম আমরা। এবার পালা এমু-ডেমু ও মেমু ট্রেনের পার্থক্য।

Knowledge Story on Train EMU DEMU MEMU: লোকাল ট্রেনের নামের পিছনে কী রহস্য! EMU, DEMU ও MEMU-র ফারাক জানলে অবাক হবেন

ট্রেনের মধ্যে থাকা লোকাল, প্যাসেঞ্জার, এক্সপ্রেস, সুপারফাস্ট, প্রিমিয়াম, মেইল ইত্যাদি ট্রেন সম্পর্কে অনেকেই জানেন। কিন্তু এদের সঙ্গেই জড়িয়ে থাকা DEMU, EMU ও MEMU-র মধ্যে কোথায় পার্থক্য রয়েছে তা অনেকের কাছেই অজানা।

আসলে লোকাল হোক অথবা এক্সপ্রেস বা ফাস্ট প্যাসেঞ্জার, প্রতিটি ট্রেনকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা টেনে নিয়ে যায় ইঞ্জিন বা লোকোমোটিভ। এই সকল ইঞ্জিন বা লোকোমোটিভের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে DEMU, EMU ও MEMU। মূলত কোন শক্তির উপর নির্ভর করে ইঞ্জিন কাজ করে থাকে তার ওপর ভিত্তি করেই এই সব নাম দেওয়া হয়।

DEMU: DEMU-হল ডিজেল ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট। এদের আবার তিনটি ভাগ রয়েছে, ডিজেল বৈদ্যুতিক ডেমু, ডিজেল হাইড্রোলিক ডেমু এবং ডিজেল মেকানিক্যাল ডেমু। এই সকল ট্রেনের প্রতিটি তিনটি কোচ অন্তর অন্তর একটি করে পাওয়ার কোচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যে কারণে এগুলিকে শক্তি সাশ্রয়ী ট্রেনও বলা হয়।

EMU: EMU-হল ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট। এই ট্রেন কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাইয়ের মতো বড় বড় শহরগুলির মেট্রো শহরে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই সকল ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ১০০ কিলোমিটার। বিদ্যুতের সাহায্যে চালানোর জন্য এই সকল ট্রেনগুলিতে এক ধরনের প্যানটোগ্রাফ থাকে। এইসব ট্রেনগুলিতে ১২ থেকে ১৬টি কোচ ব্যবহার করা হয়।

MEMU: MEMU-র পুরো অর্থ হল মেনলাইন ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট। এই ধরনের ইঞ্জিনগুলি হল উন্নত এবং উচ্চ প্রযুক্তির। এই ধরনের ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে ২০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে। এই ধরনের ইঞ্জিন যে সকল ট্রেনে ব্যবহার করা হয় সেই সকল ট্রেনগুলিতে চারটি কোচ অন্তর অন্তর একটি করে পাওয়ার কার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এই ধরনের ট্রেনে ৮ থেকে ১২ টি কোচ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এইসব ট্রেনগুলিতে এয়ারকন্ডিশন, ওয়াশরুম ইত্যাদির সুবিধা পাওয়া যায়। আবার এই সকল ট্রেনের ভাড়াও অনেক কম হয়।

(Feed Source: news18.com)