FIFA World Cup Father-Son Trivia: বাপ-বেটায় মিলে বিশ্বকাপে! গোলও করেছেন…আবার শিরোপাও জিতেছেন, তালিকায় এরকম ক’জন ফুটবলার?

FIFA World Cup Father-Son Trivia: বাপ-বেটায় মিলে বিশ্বকাপে! গোলও করেছেন…আবার শিরোপাও জিতেছেন, তালিকায় এরকম ক’জন ফুটবলার?

 

FIFA World Cup Father-Son Trivia: বাবা-ছেলের জুটিও খেলেছে বিশ্বকাপ! অভাবনীয় ঠিকই। তবে এরকম নাম কিন্তু প্রচুর। দেখে নিন একবার তালিকা।

জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দরজায় কড়া নাড়ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ। ১১ জুন থেকে শুরু ফুটবলবিশ্বের সবচেয়ে বড় শো-পিস ইভেন্ট। আমেরিকা-মেক্সিকো-কানাডা জুড়ে চলবে ৪৮ দলের কাপযুদ্ধের আসর। পরিবারের সদস্যরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কেবল নিজেদের বসার ঘরে কিংবা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসেই বিশ্বকাপ উপভোগ করেননি, বরং বিশ্বকাপেও অংশ নিয়েছেন। ১৯৩০ সালে এই আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের সূচনালগ্ন থেকে এখনও পর্যন্ত বহু বাবা-ছেলের জুটি বিশ্বকাপে খেলেছে। বিরল সৌভাগ্য অর্জন করেছেন তাঁরা। যদিও খেলোয়াড় হিসেবে বাবা ও ছেলে, উভয়েই বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেননি, তবুও বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য জুটি নিজেদের স্বকীয় ছাপ রেখে গেছেন।

লিলিয়ান থুরাম এবং মার্কাস থুরাম (ফ্রান্স)

লিলিয়ান: তিনটি বিশ্বকাপে (১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০০৬) ১৬ ম্যাচে দু’গোল
মার্কাস: ২০২২ বিশ্বকাপে পাঁচটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

ক্লাউদিও রেইনা এবং জিওভানি রেইনা (আমেরিকা)

ক্লাউদিও: চারটি বিশ্বকাপে (১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০০৬) ১০ ম্যাচে অংশগ্রহণ
জিওভানি: ২০২২ বিশ্বকাপে দুটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

পিটার স্মাইকেল এবং ক্যাসপার স্মাইকেল (ডেনমার্ক)

পিটার: ১৯৯৮ বিশ্বকাপে পাঁচটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
ক্যাসপার: দুটি বিশ্বকাপে (২০১৮ এবং ২০২২) সাতটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

ড্যানি ব্লাইন্ড এবং ড্যালি ব্লাইন্ড (নেদারল্যান্ডস)

ড্যানি: দু’টি বিশ্বকাপে (১৯৯০ এবং ১৯৯৪) কোনও ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি
ড্যালি: দু’টি বিশ্বকাপে (২০১৪ এবং ২০২২) ১২টি ম্যাচে দু’গোল

মাজিনহো (ব্রাজিল) এবং থিয়াগো (স্পেন)

মাজিনহো: দু’টি বিশ্বকাপে (১৯৯০ এবং ১৯৯৪) ছ’টি ম্যাচে অংশগ্রহণ
থিয়াগো: ২০১৮ বিশ্বকাপে দু’টি ম্যাচে অংশগ্রহণ

আলেকজান্ডার গুইমারেস এবং সেলসো বোর্জেস (কোস্টারিকা)

গুইমারেস: ১৯৯০ বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে অংশগ্রহণ
বোর্জেস: তিন বিশ্বকাপে (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২) ১১ ম্যাচে অংশগ্রহণ

ভ্লাদিমির ওয়াইস (চেকোস্লোভাকিয়া) এবং ভ্লাদিমির ওয়াইস (স্লোভাকিয়া)

ভ্লাদিমির (বাবা): ১৯৯০ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
ভ্লাদিমির (ছেলে): ২০১০ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

জান কোজাক (চেকোস্লোভাকিয়া) এবং জান কোজাক (স্লোভাকিয়া)

জান (বাবা): ১৯৮২ বিশ্বকাপে কোনও ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি
জান (ছেলে): ২০১০ বিশ্বকাপে একটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

হাভিয়ের হার্নান্দেজ এবং হাভিয়ের হার্নান্দেজ (মেক্সিকো)

হাভিয়ের (বাবা): ১৯৮৬ বিশ্বকাপে কোনও ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি
হাভিয়ের (ছেলে): তিনটি বিশ্বকাপে ১২ ম্যাচে ৪ গোল বিশ্বকাপসমূহ (২০১০, ২০১৪ এবং ২০১৮)

ওলোদিমিয়েজ স্মোলারেক এবং এবি স্মোলারেক (পোল্যান্ড)

ওলোদিমিয়েজ: দুটি বিশ্বকাপে (১৯৮২ এবং ১৯৮৬) ১০ ম্যাচে অংশ নিয়ে দু’টি গোল।
এবি: ২০০৬ বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে অংশগ্রহণ।

মিগুয়েল রেইনা এবং পেপে রেইনা (স্পেন)

মিগুয়েল: ১৯৬৬ বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি।
পেপে: চারটি বিশ্বকাপে (২০০৬, ২০১০, ২০১৪ এবং ২০১৮) সব মিলিয়ে এক ম্যাচে অংশগ্রহণ।

মিগুয়েল অ্যানহেল আলোনসো এবং জাভি আলোনসো (স্পেন)

মিগুয়েল: ১৯৮২ বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচে অংশগ্রহণ।
জাভি: তিন বিশ্বকাপে (২০০৬, ২০১০ এবং ২০১৪) ১৩ ম্যাচে অংশ নিয়ে দু’টি গোল। ২০১০ সালে বিশ্বজয়।

অ্যান্ডার্স লিন্ডেরথ এবং টোবিয়াস লিন্ডেরথ (সুইডেন)

অ্যান্ডার্স: ১৯৭৮ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ।
টোবিয়াস: দু’টি বিশ্বকাপে (২০০২ এবং ২০০৬) ৮ ম্যাচে অংশগ্রহণ।

পাবলো ফোরলান এবং দিয়েগো ফোরলান (উরুগুয়ে)

পাবলো: দু’টি বিশ্বকাপে (১৯৬৬ এবং ১৯৭৪) তিন ম্যাচে অংশগ্রহণ।
দিয়েগো: তিনটি বিশ্বকাপে (২০০২, ২০১০ এবং ২০১৪) ১০ ম্যাচে অংশ নিয়ে ছ’টি গোল।

চা বুমকুন এবং চা দুরি (দক্ষিণ কোরিয়া)

বুমকুন: ১৯৮৬ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ।
দুরি: দুটি বিশ্বকাপে (২০০২ এবং ২০১০) সাতটি ম্যাচে অংশগ্রহণ।

রয় অ্যান্ডারসন এবং ড্যানিয়েল অ্যান্ডারসন (সুইডেন)

রয়: ১৯৭৮ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ।
ড্যানিয়েল: দুটি বিশ্বকাপে (২০০২ এবং ২০০৬) সব মিলিয়ে একটি ম্যাচে অংশগ্রহণ।

রয় অ্যান্ডারসন এবং প্যাট্রিক অ্যান্ডারসন (সুইডেন)

রয়: ১৯৭৮ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ।
প্যাট্রিক: ১৯৯৪ বিশ্বকাপে সাতটি ম্যাচে অংশগ্রহণ।

জুলিও মন্টেরো কাস্তিলো এবং পাওলো মন্টেরো (উরুগুয়ে)

কাস্তিলো: দুটি বিশ্বকাপে সাতটি ম্যাচে অংশগ্রহণ। (১৯৭০ এবং ১৯৭৪)
মন্টেরো: ২০০২ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

নিকোলাই লুপেস্কু এবং ইওয়ান লুপেস্কু (রোমানিয়া)

নিকোলাই: ১৯৭০ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
ইওয়ান: দুটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে আটটি ম্যাচে অংশগ্রহণ (১৯৯০ এবং ১৯৯৪)

জান ভেরহেইয়েন এবং গের্ট ভেরহেইয়েন (বেলজিয়াম)

জান: ১৯৭০ বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি
গের্ট: দুটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে পাঁচটি ম্যাচে অংশগ্রহণ (১৯৯৮ এবং ২০০২)

জঁ জর্কায়েফ এবং ইউরি জর্কায়েফ (ফ্রান্স)

জঁ: ১৯৬৬ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
ইউরি: দুটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে নয়টি ম্যাচে অংশগ্রহণ এবং একটি গোল (১৯৯৮ এবং ২০০২)

ম্যানুয়েল সানচিস এবং মানোলো সানচিস (স্পেন)

ম্যানুয়েল: ১৯৬৬ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে অংশগ্রহণ এবং একটি গোল
মানোলো: ১৯৯০ বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

চেজারে মালদিনি এবং পাওলো মালদিনি (ইতালি)

চেজারে: ১৯৬২ বিশ্বকাপে দুটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
পাওলো: চারটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে ২৩টি ম্যাচে অংশগ্রহণ (১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৮ এবং ২০০২)

দোমিঙ্গোস দা গুইয়া এবং আদেমিদ দা গুইয়া (ব্রাজিল)

দোমিঙ্গোস: ১৯৩৮ বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
আদেমিদ: ১৯৭৪ বিশ্বকাপে একটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

রজার রিও এবং প্যাট্রিস রিও (ফ্রান্স)

রজার: ১৯৩৪ বিশ্বকাপে একটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
প্যাট্রিস: ১৯৭৮ বিশ্বকাপে একটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

মার্তি ভান্তোলরা (স্পেন) এবং হোসে ভান্তোলরা (মেক্সিকো)

মার্তি: ১৯৩৪ বিশ্বকাপে একটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
হোসে: ১৯৭০ বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

লুইস পেরেজ এবং মারিও পেরেজ (মেক্সিকো)

লুইস: ১৯৩০ বিশ্বকাপে দুটি ম্যাচে অংশগ্রহণ
মারিও: ১৯৫০ বিশ্বকাপে দুটি ম্যাচে অংশগ্রহণ

(Feed Source: zeenews.com)