
Axios-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ফোনে নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলার সময় মেজাজ হারান ট্রাম্প। এতটাই রেগে যান যে নেতানিয়াহুকে ‘অকৃতজ্ঞ’ বলেও আক্রমণ করেন। ওই কথোপকথন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল আধিকারিক এবং আরও একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করা হয়েছে। বেইরুটে বড় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল ইজ়রায়েল। সেই পরিকল্পনাতেও ট্রাম্প জল ঢেলে দিয়েছেন বলে খবর। এতে শুধু পশ্চিম এশিয়া নয়, গোটা পৃথিবীতে ইজ়রায়েল আরও কোণঠাসা হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন তিনি। (US-Israel Relations)
ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে ঠিক কী কথা হয়েছে, তার খুঁটিনাটি সামনে এনেছে Axios. বলা হয়েছে, দুর্নীতি মামলায় তিনিই যে নেতানিয়াহুকে জেল যাওয়া থেকে বাঁচিয়েছিলেন, তা স্মরণ করিয়ে দেন ট্রাম্প। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আপনি পুরোপুরি উন্মাদ। আমি না থাকলে জেলের ভিতর থাকতেন। আমি এখনও বাঁচিয়ে চলেছি। সকলে ঘৃণা করে আপনাকে। আর তাই ইজ়রায়েলকেও ঘৃণা করে সকলে।” একটা সময় পর এতটাই রেগে যান ট্রাম্প যে অশালীন শব্দও প্রয়োগ করেন। নেতানিয়াহু ঠিক কী করতে চাইছেন, কী চলছে তাঁর মাথায়, তাঁর বুদ্ধিমত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হেজবোল্লা এবং তাদের প্রতি ইরানের সমর্থন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ট্রাম্প। কিন্তু নেতানিয়াহু লেবাননে যা করছেন, তাতে পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা। কারণ দক্ষিণ লেবাননে ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছে ইজ়রায়েলি বাহিনী। মুহুর্মুহু হামলা চলছে। সেখানে ঘরছাড়া বহু মানুষ। হেজবোল্লার এক নেতার নাগাল পেতে সেখানে পর পর বিল্ডিং গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে. এর প্রভাব ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির উপর পড়তে পারে বলে মনে করছেন ট্রাম্প। তাতেই নেতানিয়াহুর উপর ক্ষুব্ধ তিনি। ট্রাম্পের কাছ থেকে ফোন পেয়ে নেতানিয়াহুও সুর নরম করেছেন, আপাতত বেইরুটে হামলা চালানো থেকে সরে এসেছেন বলে জানা যাচ্ছে।
তবে এই প্রথম ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে মতবিরোধ ঘটল না। তবে এভাবে কড়া ভাষায় কথা বলতে আগে শোনা যায়নি তাঁকে। নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলার পর ট্রাম্প ঘোষণা করেন, আর বেইরুটের দিকে এগোবে না ইজ়রায়েল। সেনা ফিরিয়ে নিচ্ছেন নেতানিয়াহু। পাশাপাশি, হেজবোল্লার প্রতিনিধির সঙ্গেও কথা হয়েছে, তারা ইজ়রায়েলের বাহিনী লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া থেকে বিরত থাকতে রাজি বলে জানান ট্রাম্প।
(Feed Source: abplive.com)
