দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রেস্তোরাঁর বেসমেন্ট থেকে মোট ৩৭ জনকে উদ্ধার করেন দমকলকর্মীরা। পরে তাঁদের CATS অ্যাম্বুল্যান্সের মাধ্যমে হাসপাতালে পাঠানো হয়। দমকল বিভাগ আরও জানিয়েছে, নেহরু প্লেস ফায়ার স্টেশনের ডিভিশনাল অফিসার (DO) রবিন্দর ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে উদ্ধারকাজ তদারকি করেন।
News18
নয়াদিল্লি: দিল্লির মালব্যনগরের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা চোখের সামনে দেখেছিলেন সাজিদ। সিএনএন-নিউজ১৮- কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই প্রত্যক্ষদর্শী দিলেন ভয়ানক সেই ঘটনার বিবরণ।
সাজিদ বলেন, ”সকাল ৮টা নাগাদ দমকল বাহিনীকে ডাকা হলেও তারা দেরিতে পৌঁছায়। যারা প্রাণভিক্ষা চাইছিল, আমরা সবাই তাদের বাঁচানোর কথা ভেবেছিলাম। তাই তাদের ওপর তোশক ছুড়ে দিয়েছিলাম।” আরেক প্রত্যক্ষদর্শী, মৃতদেহ ও জীবিতদের বের করে আনতে সাহায্য করেছিলেন। তিনি জানান, “ভিতরে প্রবেশের সুযোগ খুব সহজ ছিল না।” তাঁর কথায়, “ছাদটা তালাবন্ধ ছিল। যদি সেটা খোলা থাকত, অনেকেই বেঁচে যেত। ভিতরে থাকা লোকজন প্রেশার কুকারসহ হাতের কাছে যা পেয়েছে তা দিয়েই কাচ ভাঙার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ব্যর্থ হয়। বাইরের দিকের শক্ত কাচ পাথর দিয়েও ভাঙা যায়নি।”
দিল্লির মালব্য নগর এলাকায় বুধবার সকালে একটি রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দক্ষিণ দিল্লির হাউজ রানি এলাকার বহুতল ‘লেমন গ্রিন রেস্তোরাঁয়’ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আধিকারিকদের দাবি, মৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (DFS) সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল প্রায় ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়। এই ঘটনাটি নেহরু প্লেস ফায়ার স্টেশনের অধীন এলাকায় ঘটেছে। দমকল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আগুনের সূত্রপাত হয় সকাল প্রায় ৮টা ৫০-এ।
(Feed Source: news18.com)