)
Mohammedan Sporting Club: ববির কথায়, হুমায়ূন কবীরকে প্রেসিডেন্ট করলাম।২০১৭ থেকে আমি প্রেসিডেন্ট ছিলাম।আমি পদত্যাগ করলাম।আমরা আই লীগ চ্যাম্পিয়ন ছিলাম।সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে,শর্ট পিরিয়ড এর মধ্যে আমরা ১৩ টা ম্যাচ খেলতে পারব না।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ময়দানের অন্যতম প্রধান এবং ১৩৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে বড়সড় রদবদল ঘটল। ক্লাবের দীর্ঘদিনের সভাপতি আমিরউদ্দিন ববি পদত্যাগ করার পর, নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। দায়িত্ব গ্রহণের দিনই তাঁর হাতে মহামেডান ক্লাবের পক্ষ থেকে ‘১’ নম্বর জার্সি তুলে দেওয়া হয়।
পদত্যাগের পর বিদায়ী সভাপতি আমিরউদ্দিন ববি ক্লাবের চরম আর্থিক সংকটের কথা অকপটে স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ক্লাব প্রায় ১৩ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকার দেনায় ডুবে রয়েছে। আমরা ক্লাবকে ভালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি।’ একই সঙ্গে বিনিয়োগকারী না পাওয়ার জন্য ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “ইনভেস্টর পাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কথা বলেছিলাম। কিন্তু তারা শেয়ার নিতে চায়নি, কোনোভাবে সাহায্য করেনি। তবে কোনও নতুন ইনভেস্টর আসতে চাইলে আমরা এখনও স্বাগত জানাতে রাজি আছি।’
ববি আরও জানান, তারা প্রথমে নওশাদ সিদ্দিকী এবং হুমায়ুন কবীর দু’জনকেই মেইল করেছিলেন, অবশেষে হুমায়ুন কবির সভাপতি হতে রাজি হয়েছেন। এছাড়া ক্লাবের লোগো রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
১৩ কোটির দেনা ও হুমায়ুন কবীরের মাস্টারপ্ল্যান
দায়িত্ব নিয়েই ক্লাবের সংকট মোচনে বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নতুন সভাপতি হুমায়ুন কবীর। তিনি ঘোষণা করেন, ‘ক্লাবের প্রায় ১৪ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। আমি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ৫০ শতাংশ টাকা মেটানোর ব্যবস্থা করব এবং খেলোয়াড়দের বকেয়া পেমেন্ট দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ইংরেজিতে একটি কথা আছে— ‘No risk, no gain’। ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়। আপাতত শুধু সভাপতি বদল হলেও, আগামী দিনে মিটিং করে পুরো কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্লাব কেউ একা চালাতে পারে না। যারা কাজ করে তাদের সমালোচনা হয়।সকলের কাছে একটাই দাবী। আমি চেষ্টা করব ক্লাবকে মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের একই সারিতে নিয়ে যেতে। কাউকে হঠাৎ করে এমন কোন মন্তব্য করবেন না ইউটিউব যারা করেন তাদের কাছে। কিছু বলার থাকলে বসে আলোচনা করে তবে বলবেন।
তবে ক্লাবে রাজনীতি প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট জানান, ভারতে গণতন্ত্র ,অনেক রাজনীতিক ব্যক্তি খেলার সঙ্গে যুক্ত। তাদের কে অনেক কিছু মানতে হয়। কল্যাণ চৌবে ,অমিত শাহের ছেলে তিনি খেলার সঙ্গে জড়িত। ক্লাবের মধ্যে কোন ধরনের রাজনীতি হবে না। ময়দান রাজনীতি মুক্ত করতে বলার আগে দেখুন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব, মহামেডান ক্লাবের উন্নয়ন নিয়ে। তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বাংলার মানুষের জনপ্রতিনিধি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আপনার এবং আমার।
(Feed Source: zeenews.com)
