)
US Will Hit Very Hard Tonight: ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলতি উত্তেজনা এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের রূপ ধারণ করেছে। বুধবার (১০ জুন) মার্কিন সর্বাধিনায়কের নির্দেশে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Trump) ইরানকে চরম হুমকি দিয়েছেন। বলেছেন, আজ রাতেই তিনি ইরান ধ্বংস করে দেবেন। যা, ইতিমধ্যেই থাকা ইরান-মার্কিন দ্বৈরথকে আরও তীব্র করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান-মার্কিন পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধে রত (Iran United States war)। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার মতোই আমেরিকা ইরানের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে (total control)। তারা ইরানের তেল ও গ্যাস মার্কেট সম্পূর্ণ কবজা করবে আর সেই পথে কোনও বাধাই মানবে না।
বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলতি উত্তেজনা এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের রূপ ধারণ করেছে। বুধবার (১০ জুন) মার্কিন সর্বাধিনায়কের নির্দেশে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। মার্কিন শান্তি প্রস্তাবে তেহরানের অস্বীকৃতিতে চরম হতাশা প্রকাশ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ হ্যান্ডেলে লেখেন, একটি চুক্তির জন্য আলোচনা করতে গিয়ে ইরান অনেক সময় নষ্ট করেছে, এখন তাকে এর মূল্য দিতে হবে! এর পরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে পিট হেগসেথ ইরানে মারাত্মক হামলার হুঁশিয়ারি দেন।
কেঁপে ওঠে গোটা ইরান
মার্কিন প্রশাসনের এই মন্তব্যের পরেই পশ্চিম তেহরান, বন্দর আব্বাস-সহ ইরানের বেশ কয়েকটি এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে। কেঁপে ওঠে গোটা দেশ। নজিরবিহীন এই আগ্রাসনের মুখে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয় এবং বন্দর আব্বাস-সহ একাধিক দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরে তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
বন্ধ হরমুজ, সঙ্গে বিধ্বংসী হামলা
মার্কিন হামলার জবাবে ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে ইরানও। মার্কিনি আক্রমণের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)। হরমুজ অবরুদ্ধ করার পর সেখান থেকে ছেড়ে যাওয়া দুটি জাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের এই আগ্রাসনের প্রতিশোধ নিতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে সর্বাত্মক পাল্টা আঘাতও শুরু করেছে তেহরান। আইআরজিসি (IRGC) দাবি করেছে, তারা কুয়েতের আলি আল-সালেম ও আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ইসা বিমান ঘাঁটি-সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৮টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে।
বিশ্বকাপের আবহে বিশ্বযুদ্ধ
ওদিকে ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সামনে ইরানের উপর আরও তীব্র ও ভয়াবহ হামলা আসন্ন। যা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যকে এক চরম অনিশ্চয়তা ও পারমাণবিক উত্তেজনার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে! কী হবে? বিশ্বকাপের আবহে কি বিশ্বযুদ্ধের সাক্ষী হবে গোটা পৃথিবী?
(Feed Source: zeenews.com)
