)
Rachana Banerjee joins NCPI: ‘কেন্দ্রে যে দল ক্ষমতায়, সেই দল যদি রাজ্যও শাসন করে, তাহলে কাজ করতে অনেক সুবিধা হবে’।
জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দল আরও ভারী হল বিদ্রোহী সাংসদের। তৃণমূল ছেড়ে এবার NCPI যোগ দিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে পৌঁছেই লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করলেন তিনি।
লোকসভা তৃণমূলে ভাঙন। গত রবিবার দিল্লিতে গিয়ে স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, দেব, ইউসুফ পাঠান, সায়নী ঘোষেরাও। এরপর NCPI-তে যোগদানের কথা ঘোষণা করে দেন তিনি। সেই দলে অবশ্য ছিলেন না রচনা।
মঙ্গলবার দুপুরে মালেশিয়া থেকে দিল্লিতে পৌঁছন হুগলি সাংসদ। এরপর স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে যান বিজেপি নেতা নিশিকান্ত দুবে ও ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে। স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার পর রচনা বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি (NCPI-তে যোগদানের) কাগজপত্রে সই করতে’।
কেন এই দলবদল? রচনা বলেন, ‘কেন্দ্রে যে দল ক্ষমতায়, সেই দল যদি রাজ্যও শাসন করে, তাহলে কাজ করতে অনেক সুবিধা হবে। যেটা গত ১৫ বছরে দেখতে পাইনি। মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে কেন্দ্রের সঙ্গে থাকা খুব জরুরি’। তাঁর কথায়, ‘দিদিকে সম্মান দিয়েই বলছি, অনেক সময় কাজে বাধা আসছিল। যে করার কথা, করতে পারছিলাম না। আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি, পশ্চিমবঙ্গে ১-২ মাসে কত উন্নতি হয়েছে! এতদিন হয়তো লোকে দেখিনি। যে পশ্চিমবঙ্গে এমন কাজও হতে পারে’।
হুগলির সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদের আরও বক্তব্য়, ‘দিদির সঙ্গে অনেক পুরনো সম্পর্ক। বিদ্রোহও করতেই পারি না। সম্পর্ক এমনই থাকবে। শ্রদ্ধা সবসময়ই থাকবে। এটা তো ঠিকই, দিদির জন্য় ভোট পেয়েছিলাম। তৃণমূলের মুখ দিদিই। কিন্তু লোকে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই জন্য ভোট দেয়নি যে, আমার মুখ দেখে তাঁদের ভালো লাগে। ভোট দিয়েছে, যাতে কাজ করতে পারি’।
এর আগে, একই সুর শোনা দিয়েছিল তৃণমূলের আরেক বিদ্রোহী সাংসদ শতাব্দী রায়ের গলায়ও। এক সাক্ষাত্কারে তিনি স্বীকার করেছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে সঠিক হলেও, নৈতিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। প্রাক্তন দলনেত্রীকে উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা ছিল, ‘আই মিস ইউ, দিদি’।
(Feed Source: zeenews.com)
