মুম্বইয়ের বিলাসবহুল হোটেলের বিছানায় সাহসী ফটোশ্যুট নবনীতার, ‘সব সম্মান হারালেন’ বলে তুমুল নিন্দ

মুম্বইয়ের বিলাসবহুল হোটেলের বিছানায় সাহসী ফটোশ্যুট নবনীতার, ‘সব সম্মান হারালেন’ বলে তুমুল নিন্দ

 

কলকাতা: দীর্ঘদিন ধরেই ছোটপর্দার বেশ জনপ্রিয় মুখ অভিনেত্রী নবনীতা দাস (Nabanita Das)। ছোটপর্দা থেকে কেরিয়ার শুরু করলেও, নবনীতা বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করেছেন, ইদানিং তিনি মুম্বইতেও থাকছেন কাজের সূত্রে। আর সেই মুম্বইয়েরই বিলাসবহুল হোটেল থেকে, বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। হোটেলের সাদা বিছানায় শুয়ে রয়েছেন নবনীতা, উন্মুক্ত পিঠ…. বিছানায় ছড়িয়ে রয়েছে বই, ফুল আর আপেল। কখনও আবার তিনি নিজেকে আবৃত করেছেন শুধু ফুলেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি শেয়ার করতেই, অভিনেত্রীর দিকে ধেয়ে আসে কটাক্ষ। অনেকে এই সাহসী ফটোশ্যুটের প্রশংসা করলেও, অনেকেই খোলামেলা এই ফটোশ্যুটের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।

সাহসী ফটোশ্যুট, কটাক্ষের শিকার নবনীতা

ধারাবাহিকে ‘তারা মা’-র চরিত্রে দীর্ঘ সময় ধরে অভিনয় করেছিলেন নবনীতা। দর্শকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল সেই চরিত্র। অধিকাংশ দর্শকই নবনীতার এই ফটোশ্যুট দেখে টেনে এনেছেন সেই কথা। নবনীতার সাহসী ফটোশ্যুট দেখে অনেকের মন্তব্য, তারা মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে যথেষ্ট সম্মান অর্জন করেছিলেন। কিন্তু এইরকম ফটোশ্যুট করে সেই সম্মান তিনি হারাচ্ছেন। অনেকে কটাক্ষ করেছে অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও। দীর্ঘদিন বাংলা ধারাবাহিকের মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে বর্তমানে বাংলা ধারাবাহিকের মুখ্যচরিত্রে দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। তবে নবনীতার এই ফটোশ্যুট ফের নতুন করে যেন তাঁকে চর্চায় এসেছে।

অভিনেতা জিতু কমলের সঙ্গে দীর্ঘ বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল নবনীতার। তাঁদের জুটির জনপ্রিয়তাও ছিল যথেষ্ট। তবে কয়েক বছর আগে, জিতু আর নবনীতা বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। তাঁদের বিচ্ছেদের কথায় বিব্রত হয়েছিলেন অনুরাগীরা। তবে বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেও, একের অপরের বিরুদ্ধে কখনোই কথা বলেননি তাঁরা। সবসময়েই বলেছেন, বৈবাহিক সম্পর্কে না থাকলেও, তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্ক তাঁরা সবসময় বজায় রাখতে চান। জিতু যখনই কোনো সমস্যায় পড়েছেন, পাশে পেয়েছেন নবনীতাকে। অভিনেত্রীও বারে বারে বলেছেন যে, তিনি জিতুর পাশে বন্ধুর মতোই থাকতে চান। তবে এই ফটোশ্যুট শেয়ার করার জন্য অভিনেত্রীকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও কটাক্ষ শুনতে হয়েছে।