
এদিন দেখা যায়, আলিপুর জাজেস কোর্টের মধ্যে কার্যত ঘেরাও হয়ে ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। একদিকে আইনজীবীর চেম্বারে বসে অরূপ বিশ্বাস, অফরদিকে বাইরে ডিম হাতে নিয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় আইনজীবীদের একাংশ। এরই সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রীকে চোর স্লোগান দেয় আইনজীবীদের একাংশ। এরপরেই কলকাতা পুলিশের গাড়ি আলিপুর জাজেস কোর্টের ওই চেম্বার অবধি নিয়ে আসা হয়। সেই বিক্ষোভকে সরিয়ে, অরূপ বিশ্বাসকে নামিয়ে ভিতর থেকে বাইরে আনা হয় । যদিও ওই মুহূর্তটুকুর মধ্যেই অব্যহত ছিল ডিম ছোঁড়ার চেষ্টা। যদিও নিরাপদভাবে দ্রুত গাড়ির ভিতরে অরূপ বিশ্বাসকে পৌঁছে দেয় পুলিশ।
এর ঠিক পরপরই আইনজীবীদের একাংশ বলেন, আলিপুর থানায় যাচ্ছি, চোরটাকে ওখানে আমরা দেখব। আমরা রাতজাগা পাখি। সারাদিন ওখানে থাকব। আবার আইনজীবীদের আরও একটা অ্ংশ মনে করছেন, কোর্টের মধ্যে যেটা হল, সেটা নিশ্চিতভাবে হওয়া উচিত না। কারণ তারাও এই ঘটনার প্রতিবাদ করছেন।
বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে এভাবেই বিক্ষোভের মুখে প়ড়লেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এদিন বিকেলে আলিপুরের আদালতে আইনজীবীর কাছে যান অরূপ বিশ্বাস। সেখানে যখন তিনি আইনজীবীর চেম্বারে বসে ছিলেন, তখন বাইরে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন আইনজীবীদেরই আরেকটা অংশ। কেউ কেউ আবার হাতে ডিম নিয়ে আসেন।ভিতর থেকে চেম্বার বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে দরজার ধাক্কা মারা হয়। বিক্ষোভকারী আইনজীবী বলেন, মুখ লুকিয়েছে এখন অরূপ। আদালতে এসে মুখ লুকিয়েছে। ওকে আমরা এখান থেকে আটকে রেখে দিয়েছি। ও নিজের প্রাণ রক্ষা করছে। আমরা আইনজীবীরা ওর সমস্ত প্রত্যেকটা চোর ঢুকেছে। ওকেও গারদের ভিতরে দেখতে চাই। ভেঙে ফেলা হয় আইনজীবীর চেম্বারের জানলার কাচ। কেউ আবার কটাক্ষ করে মেসি মেসি বলে চিৎকার করতে থাকলেন।
২২ জুন অর্থাৎ সোমবার ফের অরূপ বিশ্বাসকে তলব করেছে পুলিশ।এদিনই আলিপুরে আগাম জামিনের আর্জি জানান, কলকাতার ১০৯ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়।যদিও আদালত সূত্রে খবর, এই মামলা সংক্রান্ত কোনও কাগজ আদালতে আসেনি, তাই অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জি গ্রহণ করা হয়নি।
