
বদলের পশ্চিমবঙ্গে রবিবার, প্রথমবার উদযাপন করা হল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। আর এদিনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল, কলকাতার রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি।প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, কলকাতায় যাঁরা আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে অংশগ্রহণ করেছেন, যাঁরা বিদেশ থেকে যুক্ত হয়েছেন এবং আমার প্রিয় দেশবাসী, ২১জুন দিনটি পৃথিবীর কিছু অংশে বছরের দীর্ঘতম দিন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের ফলে, এইদিনটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসবের দিনও হয়ে গেল।
শুধু যে নিজে যোগাভ্য়াস করলেন তাই নয়, কার্যত প্রশিক্ষকের ভূমিকায় দেখা গেল তাঁকে। বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, বলেছে চোক ঢেকে রাখতে, আর দেখছি আমার পাশে প্রধানমন্ত্রী ঘুরছেন। আমি তো চোখ এরকম করে ঢেকে রেখেছি। কিন্তু আসলে পিটপিট করে তাকিয়ে দেখছি। যোগাভ্য়াস তো হল, তবে তার মধ্য়েও প্রাক্তন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মুখ্য়নন্ত্রী থেকে বিজেপি বিধায়করা।
মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমাদের পশ্চিমবঙ্গে এতদিন এর সঙ্গে রাজ্য় সরকার বা সরকারি উদ্য়োগ যুক্ত ছিল না। কারণ আমাদের অজানা। আমি সে কথা বলতেও চাই না, এই সুপ্রভাতে। ধন্য়বাদ জানাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে। যিনি পশ্চিমবঙ্গে হারিয়ে যাওয়া, ভুলিয়ে দেওয়া যোগকে ২০২৬-এ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ১২তম-তে আমাদের মধ্য়ে ফিরিয়ে দিলেন।
স্বাস্থ্য়মন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্য়ায় বলেন, ৫ হাজার বছরের পুরনো যোগাভ্য়াস আমাদের কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। চোখের আড়াল করেছিল ৩৫ বছরের বাম আর ১৫ বছরের তৃণমূল রাজত্ব। আজকে প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদে আর শুভেন্দু অধিকারী মুখ্য়মন্ত্রীর নেতৃত্বে বাঙালির পুরনো অভ্য়াস ফিরে এল।
পাল্টা উত্তর দিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিনি গত ৭ দিন অফিস-কাছারির দিন রেড রোড বন্ধ করে সেখানে মেরাপ বেঁধে আজকে সকালে যেটুকু যোগ-বিয়োগ করেছেন। এটা একদম একটা রাজনৈতিক ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা। এরপর তো দুর্গাপুজোর পর বলবে, বাংলায় এতদিন দুর্গাপুজো হত না, এবার সরকারে আসার পরে আমরা দুর্গাপুজো করলাম।’ তৃণমূল আমলে কোনএওদিন এই ছবি দেখা যায়নি কলকাতার বুকে।যোগকে কেন্দ্র করে মানুষের এমন উন্মাদনা,এমন উদ্য়োগ দেখে খুশি রাজ্য়বাসী।
(Feed Source: abplive.com)
