ট্রাম্পের নামে রাস্তা হল ভারতে, সম্মান পেয়ে অভিভূত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট

ট্রাম্পের নামে রাস্তা হল ভারতে, সম্মান পেয়ে অভিভূত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট

 

নয়াদিল্লি: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে রাস্তা হল ভারতে। হায়দরাবাদে আমেরিকার কনস্যুলেট লাগোয়া রাস্তার নাম রাখা হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ। এমন সম্মান পেয়ে অভিভূত ট্রাম্প। আগে আমেরিকার কোনও প্রেসিডেন্টকে এমন সম্মান দেখানো হয়নি বলে লিখলেন তিনি। (Donald Trump Avenue in Hyderabad)

হায়দরাবাদে ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি ছবি সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ট্রাম্প। লেখেন, ‘ভারতের হায়দরাবাদে নতুন ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ। আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে এই প্রথম এভাবে সম্মান জানানো হল। ধন্যবাদ’। (Hyderabad Road Renamed After Trump)

তেলঙ্গানা সরকারের তরফে হায়দরাবাদে আমেরিকার কনস্যুলেট লাগোয়া রাস্তার নাম ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে হায়দরাবাদকে জনপ্রিয় করে তুলতে এবং ভারত ও আমেরিকার মধ্যেকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

হায়দরাবাদের অর্থনৈতিক শহর হিসেবে পরিচিত নানাক্রমগুড়ায় আমেরিকার কনস্যুলেটের পাশাপাশি একাধিক প্রথম সারির আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সংস্থা রয়েছে। শুক্রবার সেখানেই ট্রাম্পের নামাঙ্কিত রাস্তার স্মারক ফলকটির উদ্বোধন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন ভারতে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, তেলঙ্গানা সরকারের শীর্ষ আধিকারিকরা। আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের আগে স্মারক ফলকটির উদ্বোধন করা হল।

হায়দরাবাদে কংগ্রেসের সরকার রয়েছে। রাজ্য সরকারের একটি প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এবং পরিকাঠামোগুলিকে বিখ্য়াত ব্যক্তিবর্গের নামে নামাঙ্কিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি আমেরিকা এবং ভারতের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা গড়ে তোলার কথাও বলেছিলেন। নিজের নামে রাস্তা তৈরি হতে দেখে ট্রাম্প যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তা নজর কেড়েছে সকলের।

ভারতে এই প্রথম ট্রাম্পের নামে রাস্তা হল। কানাডায়র অন্টারিওতে সেন্ট্রাল পার্কের কাছে একটি বসতি এলাকার রাস্তার নামও ট্রাম্প অ্যাভিনিউ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ইজ়রায়েলের করিয়াত ইয়ামে রয়েছে ট্রাম্প পার্ক। কলকাতার পার্ক স্ট্রিট এলাকায় ডক্টর মার্টিন লুথার কিং সরণী রয়েছে, যা আগে ছিল আপার উড স্ট্রিট। তবে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন না। বরং সেখানে নাগরিক আন্দোলনের মুখ ছিলেন। কৃষ্ণাঙ্গদের সমানাধিকারের দাবিতে দীর্ঘ সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।