
ট্রোলিং থেকে শুরু করে ছবির অন্তরালের গল্প.. সোজাসাপ্টা উত্তর চৈতি-পুত্র অমর্ত্যের
সোশ্যাল মিডিয়ায় অমর্ত্য লিখেছেন, ‘এই পৃথিবীতে সহানুভূতি শব্দটাই বোধহয় হারিয়ে যেতে বসেছে। কারণ, এতে তো ভিউ পাওয়া যায় না। ঘৃণা মাপকাঠিতে এটা বিক্রিও হয় না। তার পরেও আমি বিশ্বাস করি, এই অনুভূতি মানুষের মধ্যে এখনও বেঁচে রয়েছে। হ্যালো.. আমি অমর্ত্য। একজন অভিনেতা, একজন পরিচালক হিসেবে এবং একজন গানের মানুষ হিসেবে রুপোলি পর্দাতেই আমার কাজ। আর হ্যাঁ, আমি চৈতি ঘোষালের পুত্র ও। আমার নতুন সিনেমা, ‘নেভারমাইন্ড’ গোটা পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেয়েছে। কিছুদিন ধরেই আমি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষাল, রূপম ইসলাম, সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, অনুষা বিশ্বনাথন, শুভ্রজিৎ দত্ত এবং শুচিস্মিতা দাশগুপ্তের সঙ্গে আমি এই ছবিটির প্রচার করছি।’
অর্মত্য আরও লিখেছেন, ‘আমি বুঝতে পারছি, সোশ্যাল মিডিয়ার একটা বড় অংশ আমার ওপর ক্ষুদ্ধ কারণ, আমি এই ছবিটায় অভিনয় করেছি, প্রচারও করেছি। আর হ্যাঁ, আমি সেই পোশাকই পরেছি, যা আমায় খুশি করে। আপনাদের রাগ হতেই পারে কিন্তু আমি সিনেমা এবং জীবনদর্শন, সব নিয়েই আমি এমনই শিক্ষা পেয়েছি। অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হয়তো মহিলাদের ছোট করে বা অপমানজনক কথা বলেই ভাল ভিউ পান, হয়তো এতে পয়সাও বেশি। বিশ্বাস করুন, ‘নেভারমাইন্ড’-এর প্রচারের জন্য আমি ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া এবং এই সমস্ত মন্তব্য থেকে দূরেই ছিলাম। আপনাদের কারণ হয়তো জানা নেই, ‘নেভারমাইন্ড’-কে দর্শকদের সামনে নিয়ে আসার জন্য কত নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি আমরা। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা, মনের জোর এসব কিছুই আপনারা জানবেন না।’
অমর্ত্য তাঁর পোস্টে যেমন প্রতিবাদ করেছেন তাঁর নিজের পোশাক নিয়ে ট্রোলিংয়ের। তেমনই দাঁড়িয়েছেন, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের পাশেও। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোশাক নিয়ে ঋতুপর্ণাকে যে ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল, তারও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রতিবাদ করেছেন অমর্ত্য। তবে তিনি জানিয়েছেন, এই সিনেমা তাঁর, ঋতুপর্ণার বা চৈতির নয়, এই সিনেমা দর্শকদের জন্য। দর্শকদের কথা মনে করেই। এই ছবিতে উঠে এসেছে কলকাতার কথা, এক জীবনবোধের কথা। পাশাপাশি অমর্ত্য জানিয়েছেন, যাঁরা এই ছবি দেখে তাঁকে মতামত জানিয়েছেন, প্রত্যেক মতামত গুরুত্ব দিয়েই দেখবেন তিনি।
(Feed Source: abplive.com)
