
অভিযুক্তদের এনকাউন্টার কিন্তু এই প্রথম নয়। বিভিন্ন সরকারের আমলে, নানা সময় এনকাউন্টার হয়েছে।বিতর্ক হয়েছে। রাজনৈতিক ঝড় উঠেছে! কেউ খুশি হয়েছে। কেউ অখুশি। ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর, তেলঙ্গনার শাদনগরে ৪৪ নন্বর জাতীয় সড়কের আন্ডার পাস থেকে উদ্ধার হয়েছিল হায়দরাবাদের ২৬ বছরের তরুণী পশু চিকিৎসকের পোড়া মৃতদেহ।
ঘটনার সাতদিনের মাথায়, ভোররাতে ঠিক সেখানেই পুলিশের এনকাউন্টারের পর পড়ে থাকতে দেখা যায়, জল্লু নবীন লরি চালক মহম্মদ আরিফ, জল্লু শিবা এবং চিন্তাকুন্তা চেন্নাকেশাভুলু-র বুলেটবিদ্ধ ছিন্নভিন্ন শরীর গুলো।এই ঘটনার পর পুলিশ যেমন তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল, তেমনই সেই পুলিশের ওপর পুষ্পবৃষ্টিও হয়েছিল। পুলিশকে কাঁধে তুলে নাচা হয়েছিল। পুলিশের পা ছুঁয়ে প্রণাম করতেও দেখা গেছিল। সেইসময় তেলঙ্গনায় ছিল কে চন্দ্রশেখরের তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির সরকার।
২০০৮-এর ডিসেম্বর মাস। অন্ধ্রপ্রদেশে তখন কংগ্রেসের সরকার। মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই এস রাজশেখর রেড্ডি। এক তরুণীর উপর অ্যাসিড হামলা ও খুনের ঘটনায় উত্তাল হয় ওয়ারঙ্গল। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয় তিন অভিযুক্তকে। অভিযুক্তদের পুনর্নির্মাণে নিয়ে যাওয়ার সময় একই ঘটনা ঘটে। এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় তিনজনেরই। ২০২৪-এর সেপ্টেম্বর মাস। মহারাষ্ট্রের ক্ষমতায় বিজেপি-শিণ্ডে সেনা সরকার।বদলাপুরে সকুল ছাত্রী নিগ্রহের ঘটনায় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় অক্ষয় শিণ্ডে নামে অভিযুক্তের। তাঁর বিরুদ্ধেও পুলিশের রাইফেল ছিনিয়ে গুলি করার অভিযোগ উঠেছিল।
চলতি বছরের ২ জানুয়ারি যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশে , ৬ বছরের মেয়েকে যৌন নির্যাতনের পর ছাদ থেকে ছুড়ে ফেলে খুনের অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে গিয়ে এনকাউন্টার হয়। জখম অবস্থায় গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের। চলতি বছরের ৩০ মে বিজেপি শাসিত অসমের নলবাড়িতে, এক ছাত্রনেতা ও এক ছাত্রীকে খুনের অভিযোগ ওঠে আশিক খান নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঠিক পরের দিনই অভিযুক্তকে ধরতে যায় পুলিশ। আর তখনই এমনকাউন্টারে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের।
(Feed Source: abplive.com)
